বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ১২ বৈশাখ ১৪৩১

পাহাড়খেকোদের সতর্ক করলেন জেলা প্রশাসক, ২৬ পাহাড়ে সাইনবোর্ড

প্রকাশিতঃ ২৫ ডিসেম্বর ২০২৩ | ৯:৪৭ অপরাহ্ন

চট্টগ্রাম : পাহাড় কাটা প্রতিরোধ করতে চট্টগ্রামের ২৬ পাহাড়ে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিয়েছে জেলা প্রশাসন। সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে বার্তা দিয়ে এ সব সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপন করেন।

নগরীর বায়েজি-ফৌজদারহাট লিংক রোড ও জঙ্গল সলিমপুর সংলগ্ন এলাকা, পলিটেকনিকেল, চট্টগ্রাম সেনানিবাস সংলগ্ন এলাকা, ষোলশহর রেলস্টেশন, ফয়’স লেক, মতিঝর্ণা ও বাটালি হিল, লেকসিটি আবাসিক এলাকা, বিজয় নগর, ফিরোজ শাহ হাউজিং এস্টেট, কৈবল্যধাম হাউজিং স্টেট সংলগ্ন পাহাড়ে সাইরবোর্ড ঝোলানো হয়েছে।

এ ছাড়া আমিন জুট মিলস কলোনি সংলগ্ন টাংকির পাহাড়, উত্তর পাহাড়তলী জয়ন্তিকা পাহাড়, মুরগির ফার্ম, আকবর শাহ বেলতলী পাহাড়, পলিটেকনিক কলেজ সংলগ্ন পাহাড়, লালখান বাজার জামিয়াতুল উলুম মাদ্রাসা সংলগ্ন পাহাড়, হারুন খান সাহেবের পাহাড়, নাসিয়াঘোনা এলাকা, চিড়িয়াখানার পিছনের পাহাড়, মধু শাহ পাহাড়, জালালাবাদ সংলগ্ন পাহাড়, নাগিন পাহাড়, ফরেস্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউট সংলগ্ন মীর মোহাম্মদ হাসানের পাহাড়, এম আর সিদ্দিকীর পাহাড়, মিয়ার পাহাড় ও বেড়া ফকিরের পাহাড়ে সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে বলে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

সাইনবোর্ড স্থাপনের সময় জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, ‘সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে পাহাড় কাটা পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব নয়। তবে বিজ্ঞপ্তি দেখে অন্তত জনসাধারণ পাহাড় কাটা বন্ধের বিষয়ে সচেতন হবে। পাহাড়খেকোরা যতই শক্তিশালী হোক না কেন তাদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে।’

পাহাড়ে অবৈধ দখল ও কাটতে দেখলে তারা সরাসরি থানায়, পরিবেশ অধিদফতর ও জেলা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করার অনুরোধ করেন জেলা প্রশাসক। তিনি জানান, পাহাড় কাটার দায়ে প্রায় ৩০ জনের বিরুদ্ধে পরিবেশ আদালতে মামলা চলমান আছে।

এর আগে গত ৮ আগস্ট চট্টগ্রাম পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির ২৭তম সভার সিদ্ধান্ত ও উচ্চ আদালতের রিট পিটিশন আদেশ অনুযায়ী পাহাড় ও টিলা কাটায় নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে মাঠে নামে জেলা প্রশাসন। তারই অংশ হিসেবে সোমবার ঝুঁকিতে থাকা এসব পাহাড়ের পাদদেশে সাইনবোর্ড স্থাপন করে জেলা প্রশাসন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আবদুল মালেক, ডেপুটি কালেক্টর মাজহারুল ইসলাম, হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবিএম মশিউজ্জামান, কাট্টলী সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. উমর ফারুক, হাটহাজারী সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আবু রায়হান, চট্টগ্রাম সদর সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) খন্দকার মাহমুদুল হাসান, আগ্রাবাদ সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবদুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরী, চান্দগাঁও সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফেরদৌস আরা, বাকলিয়া সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) এএফএম শামীম, সহকারী কমিশনার প্লাবন কুমার বিশ্বাস প্রমুখ।