সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২

এমভি আবদুল্লাহকে উদ্ধারের চেষ্টা, পিছু নিয়েছিল ইইউর যুদ্ধজাহাজ

| প্রকাশিতঃ ১৪ মার্চ ২০২৪ | ২:০৬ অপরাহ্ন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারত মহাসাগরে জলদস্যুদের হাতে জিম্মি বাংলাদেশি জাহাজ ‘এমভি আবদুল্লাহ’-এর পিছু নিয়েছিল ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের (ইইউ) একটি যুদ্ধজাহাজ। নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে ইইউর মেরিটাইম সিকিউরিটি ফোর্সের জাহাজটি এমভি আবদুল্লাহকে অনুসরণ করে।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদ মাধ্যম এবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

এদিকে ২৩ বাংলাদেশি নাবিক ও ক্রুসহ জিম্মি হওয়া জাহাজটি উদ্ধারে অন্য একটি জাহাজ থেকে গুলি চালানো হয়েছে বলে জানা গেছে। জিম্মি নাবিকদের বরাতে একটি নিউজ পোর্টাল এ তথ্য প্রকাশ করেছে। তবে নাবিকরা নিশ্চিত করতে পারেননি কোন জাহাজটি তাদের উদ্ধারে অভিযান চালিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে এমভি আবদুল্লাহর পিছু নেওয়া ইইউর জাহাজ থেকে গুলি চালানো হতে পারে। যদিও ইইউ মেরিটাইম ফোর্সের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে কিছু বলা হয়নি।

গত মঙ্গলবার (১২ মার্চ) বাংলাদেশ সময় দুপুর দেড়টার দিকে জাহাজটি নিয়ন্ত্রণে নেয় সোমালিয়ার জলদস্যুরা। সে সময়ে জাহাজটি সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিসু থেকে প্রায় ৭০০ মাইল দূরে ছিল।

এমভি আব্দুল্লাহ হাইজ্যাক হওয়ার বিষয়টি সবার প্রথম ব্রিটিশ সেনাবাহিনী রিপোর্ট করেছিল। তারা জানায় যে, সোমালিয়ার উপকূলীয় রাজধানী মোগাদিশু থেকে প্রায় ১১০০ কিলোমিটার দূরে এই ঘটনা ঘটে।

ভারত মহাসাগরে জলদস্যুদের হাত থেকে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপত্তা দিতে কাজ করে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের অপারেশন আটলান্টা। এর আওতায় একটি জাহাজ ‘এমভি আবদুল্লাহকে’ ছায়ার মতো অনুসরণ করেছে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ইইউ।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জিম্মিরা নিরাপদ আছে। সোমালিয়ার তীরের দিকে যাচ্ছে জাহাজটি।

বুধবার (১৩ মার্চ) সন্ধ্যায় জাহাজটির সর্বশেষ অবস্থান ছিল সোমালিয়া উপকূল থেকে ১৭০ নটিক্যাল মাইল দূরে। সেই সময় থেকে ২৪ থেকে ৩০ ঘণ্টার মধ্যে জাহাজটি উপকূলের কাছাকাছি পৌঁছানোর কথা।

ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম ব্যুরোর (আইএমবি) বরাত দিয়ে বাংলাদেশ মার্চেন্ট মেরিন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, বর্তমানে জাহাজটি সোমালিয়ার গারাকাড উপকূল থেকে ২০ মাইল দূরে অবস্থান করছে। জাহাজটি এই দূরত্বে নোঙর করা অবস্থায় আছে বলে জানিয়েছেন নৌ-পরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর মোহাম্মদ মাকসুদ আলম। বৃহস্পতিবার দুপুরে এ তথ্য জানান তিনি।

ব্রিটিশ মেরিটাইম সিকিউরিটি কোম্পানি অ্যামব্রেয়ের মতে, মোজাম্বিকের রাজধানী মাপুতো থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের হামরিয়া যাওয়ার সময় ২০ জন সশস্ত্র হামলাকারী জাহাজটির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল।