চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে এক নারীর বিরুদ্ধে সাবেক স্বামীকে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার ভোরে ঢাকা-চট্টগ্রাম সড়কের জোরারগঞ্জ থানাধীন মাঈন উদ্দিন পেট্রোল পাম্পের পশ্চিম পাশে মকবুল আলী মাঝির বাড়ির সামনে থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহতের নাম ওমর ফারুক (৩১)। সে হিঙ্গুলী ইউনিয়নের মেহেদীনগর গ্রামের সুজাউল হকের ছেলে।
এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ওমর ফারুকের সাবেক স্ত্রী জেসমিন আক্তার সোনিয়া, শ্যালিকা আবিদা সুলতানা ও স্ত্রীর প্রেমিক মো.রুবেলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ বিষয়ে জোরারগঞ্জ থানায় নিহতের ছোট ভাই ইব্রাহীম বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে।
নিহতের ছোট ভাই ইব্রাহীম জানায়, প্রায় এক বছর আগে তার ভাই ওমর ফারুক ও ভাবী জেসমিন আক্তার সোনিয়ার মধ্যে ডিভোর্স হয়ে যায়। গত বৃহস্পতিবার রাতে তার ভাবী ফোনে বড় ভাই ওমর ফারুককে তাদের বাসায় যেতে বলে। যাওয়ার সময় ছেলের জন্য কিছু ফল ও মিষ্টি নিয়ে যেতে বলে। তার ভাই ভাবীর কথা মতো রাতে ফল ও মিষ্টি নিয়ে জোরারগঞ্জ থানাধীন চিনকির আস্তানা বাসায় যায়। রাতে ভাবী জেসমিন আক্তার সোনিয়া, শালি আবিদা সুলতানা ও ভাবীর প্রেমিক রুবেল গলা কেটে ওমর ফারুককে হত্যা করে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
জোরারগঞ্জ থানার ওসি জাহিদুল কবির জানান, শুক্রবার সকালে জোরারগঞ্জ থানাধীন মাঈন উদ্দিন পেট্রোল পাম্পের পাশে একটি বাড়ি সামনে থেকে ওমর ফারুকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে নিহতের স্বজনদের অভিযোগের ভিত্তিতে ওমর ফারুকের সাবেক স্ত্রী জেসমিন আক্তার, শালী আবিদা সুলতানা ও প্রেমিক রুবেলকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে বলে ওসি দাবি করেন।