চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নেতা দিয়াজ ইরফান চৌধুরীকে খুনের অভিযোগ ‘এফআইআর’ হিসেবে নিতে হাটহাজারী থানাকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
সোমবার রিভিশন আবেদনের শুনানি শেষে চট্টগ্রাম অতিরিক্ত জেলা জজ মো. নূরে আলম এই আদেশ দিয়েছেন বলে জানান বাদি পক্ষের আইনজীবি আবু মনসুর।
এর আগে গত বছরের ২০ নভেম্বরে দিয়াজের লাশ উদ্ধারের পর দিয়াজের পরিবার দাবি করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মাণকাজের দরপত্র নিয়ে বিরোধের জেরে তাকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তবে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রথম ময়নাতদন্তের পর ২৩ নভেম্বর চিকিৎসকরা আত্মহত্যার কথা বলেন। ওই ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন প্রত্যাখান করে ২৪ নভেম্বর দিয়াজের মা জাহেদা আমিন বাদী হয়ে ১০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। পরে আদালতের নির্দেশে দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের জন্য দিয়াজের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়।
এর আগে দিয়াজ খুনের অভিযোগ এফআইআর হিসেবে রেকর্ড করার জন্য চট্টগ্রামের মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে একাধিকবার আবেদন করা হয়; সে সময় আবেদন খারিজ করে দিয়ে এ নিয়ে জজ আদালতে রিভিশন করার পরামর্শ দেয় আদালত।
এদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এই ছাত্রলীগ নেতার দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হওয়ার চিকিৎসকের বরাত দিয়ে গত ৩০ জুলাই সিআইডি সর্বপ্রথম জানায়, দিয়াজের মৃত্যু শ্বাসরোধজনিত হত্যাকান্ড। তবে দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা।
দিয়াজের মৃত্যু-রহস্য এখনো উন্মোচন হয়নি। এরইমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মাণকাজের দরপত্র নিয়ে বিরোধ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে পড়ুয়া এক মেয়ে বন্ধুকে নিয়ে দিয়াজের জটিলতা নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ এসেছে।