চট্টগ্রাম : চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নান বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় চট্টগ্রাম নগরীর জামালখানস্থ ডা. খাস্তগীর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষা পরিদর্শন করেছেন।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সচিব প্রফেসর মো. আবদুল মুবিন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাহবুব হাসান, কলেজ পরিদর্শক সুমন বড়–য়া, বিভাগীয় কমিশনার অফিসের সহকারী কমিশনার উজালা রানী চাকমা, জেলা শিক্ষা অফিসার হোসনে আরা বেগম ও ডা. খাস্তগীর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা হাসমত জাহান। প্রথম দিন ছিল বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষা।
পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনকালে বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নান উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, দেশের অন্যান্য স্থানের ন্যায় অত্যন্ত সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে চট্টগ্রামে জেএসসি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। পরীক্ষার প্রথমদিন আজ ১ নভেম্বর ২০১৭ ইং বুধবার সকালে বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে মনে হয়েছে যেন হলের ভেতর কেউ নেই। উপজেলার কেন্দ্রগুলোতেও সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার কাজে নিয়োজিত রয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও প্রত্যেক পরীক্ষা কেন্দ্রে আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবার চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের সর্বমোট ২১৮টি কেন্দ্রে মোট ১ হাজার ২১২টি বিদ্যালয়ের ১ লাখ ৮৩ হাজার ৬০৭ জন শিক্ষার্থী জেএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। তন্মধ্যে ছাত্রের সংখ্যা ৮২ হাজার ৭২২ জন ও ছাত্রী ১ লাখ ৮৮৫ জন। ছাত্রের তুলনায় ছাত্রীর সংখ্যা বেশি। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১০টি ভিজিল্যান্স টিম পরীক্ষার কাজে নিয়োজিত রয়েছে। প্রতিদিনের পরীক্ষা প্রতিদিনই পর্যবেক্ষণ করবেন ভিজিল্যান্স টিমের সদস্যরা। তবে চট্টগ্রাম বিভাগের অধীন চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের চেয়ে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি। চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা বোর্ড মিলে প্রায় সাড়ে ৪ লক্ষ শিক্ষার্থী এ পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। আশাকরি সকল পরীক্ষা সুন্দরভাবে সম্পন্ন হবে।’
প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, এসএসসি ও এইচএসসি’র মতো জেএসসি পাবলিক পরীক্ষা। বর্তমান সরকার প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়ে কঠোর নজরদারী রেখেছে। ফেসবুক বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ট্যাটাস দিয়ে বাংলাদেশসহ সারা বিশে^ প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ছড়ানো হয়। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টরা সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থানে রয়েছে। আশা করি আগামীতে আর কোন প্রশ্নপত্র ফাঁস হবে না।