সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২

স্বৈরাচার পতন দিবসের আলোচনায় মতিন খসরুর মুখে রওশন এরশাদের প্রশংসা

| প্রকাশিতঃ ৬ ডিসেম্বর ২০১৭ | ৯:৫০ অপরাহ্ন

চট্টগ্রাম : স্বৈরাচার পতন দিবসের ২৭ তম দিবসের আলোচনায় জাতীয় পার্টি কো-চেয়ারম্যান, সংসদে বিরোধী দলের নেতা রওশন এরশাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন খসরু এমপি।

বুধবার রাত ৮টায় একাত্তর সংযোগের আলোচনায় এই কৃতজ্ঞতা জানান আব্দুল মতিন খসরু। আবদুল মতিন খসরু ছাড়াও স্বৈরাচার পতনের ২৭ তম দিবসের আলোচনায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন, সিপিবি সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম আলোচনায় অংশ নেন।

উপস্থাপক শবনম আযীম শুরুতে বাসা থেকে সংযুক্ত হওয়া সাবেক আইনমন্ত্রী আব্দুল মতিন খসরুর কাছে জানতে চান, যে লক্ষ্য-উদ্দেশ্য নিয়ে স্বৈরাচারের পতন ঘটেছিল সেই উদ্দেশ্য কতটুকু বাস্তবায়ন হয়েছে? গণতন্ত্রই বা কতটুকু প্রতিষ্ঠা পেলো?

আব্দুল মতিন খসরু স্বৈরাচার প্রসঙ্গে কোনো আলোচনায় না গিয়ে সরাসরি বললেন, জাপা কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। সেদিন রওশন এরশাদের নেতৃত্বে জাতীয়পার্টি নির্বাচনে না এলে দেশে একতরফা নির্বাচন হতো। আর একতরফা নির্বাচন হলে গণতন্ত্র ব্যাহত হতো। কাজেই গণতন্ত্ররক্ষায় রওশন এরশাদ সেদিন যে ভূমিকা রেখেছিলেন তা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করছি। আওয়ামী লীগও নিশ্চয় তা স্মরণ করবে।

উপস্থাপকের আরেক প্রশ্নের জবাবে আব্দুল মতিন খসরু বলেন, জাতির বৃহত্তর প্রয়োজনে অনেক সময় অনেক সিদ্ধান্ত নিতে হয়, ঐক্যবদ্ধ হতে হয়। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে আমাদেরও গণতন্ত্র প্রশ্নে ঐক্যবদ্ধ হতে হয়েছিল।

তাহলে খোলা চোখে যে অসুন্দর, অন্যায় সেই অসুন্দরের সঙ্গে বৃহত্তর স্বার্থে হাত মেলাতে হয়-উপস্থাপকের এমন প্রশ্নে আব্দুল মতিন খসরুর জবাব, হ্যাঁ, বৃহত্তর স্বার্থে অনেক কিছু করতে হয়।

এরপর বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন বলেন, আওয়ামী লীগের মুখের কথা আর বাস্তবের কোনো মিল নেই।গণজাগরণের মাধ্যমে যে স্বৈরাচারের পতন হয়েছিল সেই স্বৈরাচার নিয়ে তাদের মুখে এখন কোনো কথা নেই। আছে প্রশংসা, কৃতজ্ঞতা। ক্ষমতার মসনদ ধরে রাখার জন্য তারা (আওয়ামী লীগ) অনেক কিছুই করতে পারে। এসময় গণতন্ত্ররক্ষা ও পুনরুদ্ধারে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রশংসা করেন মীর নাছির।