মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২

১১ বছর পর ‘ন্যায়বিচার’ পেলেন অধ্যক্ষ জহিরুল ইসলাম

বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি | প্রকাশিতঃ ১১ অগাস্ট ২০২৫ | ১০:১৫ অপরাহ্ন


রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে চাকরি হারানোর ১১ বছর পর চট্টগ্রামের বাঁশখালীর এক জামায়াত নেতাকে তার অধ্যক্ষ পদে পুনর্বহালের নির্দেশ দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।

রোববার জারি করা এক অফিস আদেশে বাঁশখালী হামেদিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলামকে চাকরিতে যোগদানের ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের জয়েন্ট সেক্রেটারি জহিরুল ইসলাম ২০১৪ সালে বাঁশখালী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তৎকালীন নিয়ম অনুযায়ী, জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য তার পাঁচ বছরের অবৈতনিক ছুটি পাওয়ার সুযোগ থাকলেও মাদ্রাসার গভর্নিং বডি তা মঞ্জুর না করে তাকে বরখাস্ত করে।

এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে অধ্যক্ষ জহিরুল ইসলাম চলতি বছরের ২২ মে অধিদপ্তরে আবেদন করলে বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগের পরিদর্শক মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাকের তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়।

তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অধিদপ্তর গভর্নিং বডির সভাপতিকে ‘বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণের’ নির্দেশ দিয়েছে। অধিদপ্তরের পরিদর্শক জিএম শামছুল আলম স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।

খান বাহাদুর ফাউন্ডেশন পরিচালিত এই মাদ্রাসাটির গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী।

দীর্ঘ ১১ বছর পর চাকরি ফিরে পেয়ে অধ্যক্ষ জহিরুল ইসলাম বলেন, “আমি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছিলাম। দীর্ঘ সময় লাগলেও ন্যায়বিচার পেয়েছি। সত্যের জয় অবশ্যম্ভাবী।”