চট্টগ্রাম : প্রয়াত নেতা এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সান্ত্বনা ও সমবেদনা জানিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রচার প্রকাশনা সম্পাদক ও দলের অন্যতম মুখপত্র ড. হাছান মাহমুদ এমপি।
চট্টগ্রামের সর্বস্তরের মানুষের প্রিয় নেতা মহিউদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে শুক্রবার সকালে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম ছুটে আসেন এ নেতা। বিমানবন্দর থেকে সোজা চলে যান প্রয়াত মহিউদ্দিন চৌধুরীর চশমা হিলের বাসায়।
ড. হাছান মাহমুদকে কাছে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন মহিউদ্দিনপত্নী নগর মহিলা লীগের সভাপতি হাসিনা মহিউদ্দিন ও তার পরিবারের সদস্যরা। এসময় হাছান মাহমুদ শোকাহত হাসিনা মহিউদ্দিন এবং তার পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা ও সমবেদনা জানান এবং প্রয়াত নেতার আত্মার শান্তি কামনা করেন।
এসময় ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ”অঞ্চলভিত্তিক রাজনীতি করে সমগ্র দেশে বিপুল জনপ্রিয় নেতা হওয়া যায় তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত মহিউদ্দিন চৌধুরী। তিনি শুধু গণমানুষেরই নেতা ছিলেন না, সাহস আর বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনীতিতে স্বতন্ত্র অবস্থান গড়ে তুলতে সমর্থ হয়েছিলেন।”
এ প্রসঙ্গে শুক্রবার রাতে টেলিফোনে একুশে পত্রিকাকে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ”চট্টলদরদী মহিউদ্দিন চৌধুরীকে চট্টগ্রামের মানুষ কতটা ভালোবাসতেন তা আরেকবার প্রমাণিত হয়েছে লাখো জনতার উপস্থিতি তাঁর জানাজা অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে।”
একজন রাজনীতিবিদের জন্য এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কিছু নেই বলে মন্তব্য করেন ড. হাছান মাহমুদ।
তবে জানাজা নিয়ে ইমাম সাহেবের তাড়াহুড়োর সমালোচনা করেন এই নেতা; বলেন, ”জানাজায় আর ১৫টা মিনিট অপেক্ষা করলে এমন কী অসুবিধা হতো! ইমাম সাহেব অপেক্ষা তো করেনইনি, বরং আসরের নামাজ এবং জানাজা শেষ করেছেন অবিশ্বাস্য দ্রুততার মধ্যদিয়ে। এর ফলে আরো অন্তত ২০ থেকে ৩০ হাজার মহিউদ্দিন-ভক্ত জানাজায় অংশ নিতে পারেননি। অনেকেই সময়মতো রওনা দিয়েও নগরজুড়ে তীব্র যান ও জনজটের কারণে নির্ধারিত সময়ে জানাজায় শরীক হতে পারেননি।”