
চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে আল-আমিন সংস্থার উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী ঐতিহাসিক তাফসীরুল কুরআন মাহফিল শুরু হয়েছে। বুধবার (২৯ অক্টোবর) দুপুর ২টা থেকে হাটহাজারী পার্বতী মডেল সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় ময়দানে এই আয়োজন শুরু হবে। কল্যাণমুখী সমাজ বিনির্মাণের লক্ষ্যে আয়োজিত উত্তর চট্টগ্রামের বৃহৎ এই তাফসীর মাহফিলে ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন এবং হেফাজত আমীর আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীসহ দেশের বিশিষ্ট আলেমগণ উপস্থিত থাকবেন।
মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে আমীরে হেফাজত আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী, হাটহাজারী মাদরাসার মহাপরিচালক আল্লামা খলীল আহমদ কাসেমী, ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন, মুফতি রশিদুর রহমান ফারুক ও আল্লামা মামুনুল হক উপস্থিত থাকবেন। প্রধান মুফাসসির হিসেবে আল্লামা নুরুল ইসলাম ওলীপুরী, মাওলানা মাহমুদ হাসান বাবুনগরী, মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী, মাওলানা আব্দুল বাসেত খান সিরাজী, মুফতী মুস্তাকুন্নবী কাসেমী ও হাবিবুল্লাহ মাহমুদ কাসেমী অংশ নেবেন। এছাড়া প্রধান আলোচক থাকবেন মুফতী সাখাওয়াত হোসাইন রাজী, মুফতী হারুন ইজহার চৌধুরী, মাওলানা রেজাউল করিম আবরার, মুফতী রাফি বিন মুনির, মাওলানা আনিসুর রহমান আশরাফী ও গাজী সানাউল্লাহ রাহমানী।
জানা গেছে, এবার আশি হাজার বর্গফুটের এই মাঠে চল্লিশ হাজার বর্গফুটের প্যান্ডেল এবং দুই হাজার বর্গফুটের মঞ্চ প্রস্তুত করা হয়েছে।
মাহফিলে আগত মুসল্লিদের জন্য গাড়ী পার্কিংয়ের নির্দেশনা দিয়েছে ব্যবস্থাপনা কমিটি। রাঙ্গামাটি, রাউজান ও রাঙ্গুনিয়ার মুসল্লিগণের গাড়ী হাটহাজারী উপজেলার পূর্ব পাশে কডিয়ার দীঘির পাড় এলাকায় পার্কিং করতে বলা হয়েছে। মহানগর ও দক্ষিণ চট্টগ্রামের মুসল্লিদের গাড়ী হাটহাজারী কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার সংলগ্ন এলাকায় এবং উত্তর চট্টগ্রাম তথা খাগড়াছড়ি, মানিকছড়ি, ফটিকছড়ি, মাটিরাঙ্গা ও নাজিরহাটের মুসল্লিদের গাড়ি নুর মসজিদ ও হাটহাজারী মাদরাসার আশেপাশে পার্কিং করতে হবে। এছাড়া মোটর সাইকেল হাটহাজারী সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসের ভেতরের মাঠে পার্কিং করা যাবে।
মাহফিল ব্যবস্থাপনা কমিটি সুন্দর ব্যবস্থাপনার জন্য উপরোক্ত নির্দেশনা মেনে চলার সবিনয় অনুরোধ জানিয়েছে। এছাড়া মাঠের ভিতরে বা মাঠের আশেপাশের স্টলগুলোতে মহিলাদের প্রবেশ না করার জন্যও অনুরোধ করা হয়েছে।
সংস্থাটির সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ জানিয়েছেন, “আমরা প্রায় এক মাস ধরে হাটহাজারী উপজেলার পাশাপাশি চট্টগ্রাম মহানগর, রাউজান, ফটিকছড়িতেও বিলবোর্ড, ব্যানার ও ফেস্টুনের পাশাপাশি অনলাইন-অফলাইনে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়েছি। আমরা আশাবাদী এবারের তাফসীর মাহফিলে পূর্বের যেকোন সময়ের চেয়ে তাওহীদি জনতার উপস্থিতি বেশি হবে।” তিনি ঐতিহাসিক এই তাফসীর মাহফিল সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সকলের দোয়া কামনা করেছেন।