সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২

চবিতে ছাত্রলীগের দুই পক্ষে ধাওয়া পাল্টা

আহত ২
| প্রকাশিতঃ ১ নভেম্বর ২০১৮ | ১:১৯ পূর্বাহ্ন


চবি প্রতিনিধিঃ শাটল ট্রেনে সিট ধরাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ছাত্রলীগের দুই পক্ষে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের মিঠুন পালিত ও চারুকলা ইন্সটিটিউটের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের জহির রায়হান নামে দুই ছাত্রলীগ কর্মী আহত হয়।

বুধবার বিকেল চারটার ট্রেনে এই ঘটনার সূত্রপাত হয়। তবে রাত ৯ টা পর্যন্ত এ নিয়ে শাহ আমানত ও শাহ জালাল হলে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজমান ছিল।

বিবাদমান দু’টি পক্ষ সিটি মেয়র নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ.জ.ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী ভিএক্স ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যরিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারী সিএফসি গ্রুপ।

প্রত্যক্ষদর্শীসূত্রে জানা যায়, বিকেল চারটার ট্রেনে বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং আ. জ.ম. নাছির উদ্দীন অনুসারী ভিএক্স পক্ষের ছাত্রলীগ কর্মী জাহির রায়হানের শাটলে সিট ধরা নিয়ে সিএফসি পক্ষের মিথুন পালিতের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে জহির রায়হান কে মারধর করে সিএফসি পক্ষের কর্মীরা।

এই ঘটনার জের ধরে সন্ধ্যায় উভয় পক্ষের নেতা-কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টার ঘটনা ঘটে। এসময় সিএফসি অনুসারী নেতাকর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ আমানত হল এবং ভিএক্স পক্ষের সাথে নাছিরের অনুসারী অন্যান্য পক্ষের নেতাকর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহজালাল ও সোহারাওয়ার্দী হলের গেটে রামদা ও লাঠি নিয়ে অবস্থান নিলে ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটে। পরে রাত নয়টার দিকে পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির কঠোর অবস্থানে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর নিয়াজ মোর্শেদ রিপন একুশে পত্রিকাকে বলেন, ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আমরা বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশ ও প্রক্টরিয়াল বডি হলের সামনে কঠোর অবস্থান নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি। বর্তমানে উভয় পক্ষে হলে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।

সংঘর্ষের বিষয়ে জানতে চাইলে চবি ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির সাবেক উপ-গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক ইকবাল হোসেন টিপু একুশে পত্রিকাকে বলেন, সিএফসি অনুসারী কর্মীরা বিকেলে চারুকলার বিভাগের আমাদের এক ছাত্রলীগ কর্মীকে মারধর করে। যার প্রেক্ষিতে এই ঘটনা ঘটে।

এদিকে সিএফসি পক্ষে চবি ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির সহ-সভাপতি রেজাউল হক রুবেল একুশে পত্রিকাকে বলেন,জুনিয়রদের মধ্যে ভুল বুঝাবুঝি থেকে এমনটা সৃষ্টি হয়েছে। আমরা বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছি। সামনে নির্বাচন আর আমরা চাই নৌকা মার্কার জয় হোক।

একুশে/ইএস/আরএইচ