ঢাকা : সাধারণ শিক্ষার স্নাতকোত্তর ডিগ্রির স্বীকৃতি দিয়ে সংসদে আইন পাস হওয়ায় রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কওমি শিক্ষার্থীদের শোকরানা মাহফিল শুরু হয়েছে।
গত ১৯ সেপ্টেম্বর কওমি মাদ্রাসার সনদের স্বীকৃতি দিয়ে জাতীয় সংসদে আইন পাস হয়। কওমি সনদকে স্বীকৃতি দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে এ অনুষ্ঠানে সংবর্ধনা দেওয়া হবে।
বর্তমানে দেশে ১৩ হাজার ৯০২টি কওমি মাদ্রাসায় ১৩ লাখ ৬৮ হাজার শিক্ষার্থী আছে।
রোববার (৪ নভেম্বর) সকাল ৯টায় কোরআন তেলওয়াতের মধ্য দিয়ে কওমির ছয় বোর্ডের সমন্বিত সংস্থা আল-হাইয়াতুল উলয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়্যাহ বাংলাদেশের এই মাহফিলের অনুষ্ঠানটি শুরু হয়।
মাহফিলকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার কথা জানিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী মাহফিলে পৌঁছালে কওমি মাদরাসা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী তাকে অভিবাদন জানান। পরে প্রধান অতিথির আসন গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রীর পাশে মঞ্চে বসেছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এবং নৌমন্ত্রী শাহজাহান খান।
মাহফিল ঘিরে সকাল থেকেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জড়ো হতে থাকেন কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাসে করে কওমি শিক্ষার্থীদের নিয়ে আসা হয় ঢাকায়। সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ঘিরে প্রতিটি সড়কে দেখা যায় পাঞ্জাবি আর টুপি পরিহিত শিক্ষার্থীদের স্রোত।

এই মাহফিল ঘিরে সকাল থেকে আশপাশের এলাকার নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের প্রতিটি প্রবেশপথে বসানো হয়েছে আর্চওয়ে। মেটাল ডিটেক্টরেও তল্লাশি করা হচ্ছে সেখানে।
শাহবাগ, মৎস্য ভবন, দোয়েল চত্বরসহ কয়েকটি স্থানে ব্যারিকেড দিয়ে যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। ফলে আশপাশের অন্যান্য সড়কে তৈরি হয়েছে যানজট, ভোগান্তিতে পাড়েছে সাধারণ মানুষ।
একুশে/এসসি