চবি: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) আইন অনুষদে ‘প্রক্সির’ মাধ্যমে ভর্তি হওয়া এক শিক্ষার্থী এক বছর পর ধরা পড়েছেন।
ওই শিক্ষার্থীর নাম মঈন উদ্দিন। তিনি ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে ডি ইউনিটে ৭০তম হয়েছিলেন।
রোববার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, প্রক্সির মাধ্যমে ভর্তি হওয়া ওই শিক্ষার্থী রোববার আইন বিভাগের ৩নং গ্যালারিতে পরীক্ষা দিচ্ছিলেন। এ সময় হল পরিদর্শকের সন্দেহ হলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে প্রক্টর কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়। তখন প্রক্সির মাধ্যমে ভর্তির বিষয়টি স্বীকার করে নেয় সে।
মঈনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জেনেছে, ৩ লক্ষ টাকার চুক্তিতে ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে প্রক্সির মাধ্যমে আইন বিভাগে ভর্তি হয় মঈন। পছন্দের বিষয় আইন বিভাগে ভর্তি হয়ে যথারীতি তিনি ক্লাস-পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এতদিন প্রক্সি দেয়া ব্যক্তির ছবিই ছিল বিভাগীয় নথিপত্রে। আর শিক্ষার্থী হিসেবে বিভাগে অধ্যয়ন করছিল মঈন। অবশেষে এক বছর পর বেরিয়ে আসে তার আসল পরিচয় ও অবৈধ পন্থায় ভর্তি হওয়ার তথ্য।
প্রশাসনকে মঈন জানিয়েছেন, সমাজতত্ত্ব বিভাগের ২০০৮-০৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হোসাইন আল মাসুম এই প্রক্সি চক্রের মূলহোতা। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে।
এদিকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আটক শিক্ষার্থীকে হাটহাজারী থানায় সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী।