জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির গোলাম আযমের ছেলে আবদুল্লাহিল আমান আল আযমীকে সাদা পোশাকধারীরা তুলে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছে জামায়াত। ঘটনার ১২ ঘণ্টারও বেশি সময় পর গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই অভিযোগ করে দলটি। তবে গোলাম আযমপুত্রকে আটকের কথা অস্বীকার করেছে পুলিশ। বাহিনীটি বলেছে, কে তাকে তুলে নিয়েছে বা আদৌ নিয়েছে কি না, সে বিষয়ে কোনো তথ্য নেই তাদের কাছে।
মানবতাবিরোধী অপরাধে আমৃত্যু কারাদ- পাওয়া জামায়াতের সাবেক আমির গোলাম আযম মারা গেছেন হাসপাতালে বন্দি থাকা অবস্থায়। গোলাম আযমপুত্র আযমী ছিলেন সেনা কর্মকর্তা। পরে তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়।
দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের নামে পাঠানো বিবৃতিতে জামায়াত অভিযোগ করা হয়, ২২ আগস্ট দিবাগত রাত পৌনে ১২টায় নিজ বাসা থেকে সাদা পোশাকধারীরা আযমীকে তুলে নেয়া হয়। জামায়াতের দাবি, ‘তিনি দেশের একজন সুনাগরিক। তিনি দেশের আইন ও সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তার নামে কোন মামলা নেই। ফলে তাকে গ্রেপ্তার করা অযৌক্তিক ও বেআইনি।’
ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় ছিলেন মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের কট্টর সমালোচক ছিলেন আযমী।
তবে পুলিশের কোনো বিভাগই গোলাম আযমপুত্রকে আটকের কথা স্বীকার করেনি। যে বাড়ি থেকে তাকে তুলে নেয়ার কথা বলা হচ্ছে সেটি রাজধানীর রমনা থানার অন্তর্ভূক্ত। জানতে চাইলে এই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মশিউর রহমান ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘আমরা ধরিনি। কে ধরেছে তা জানিও না।’
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের রমনা অঞ্চলের সহকারী কমিশনার হাসান আরাফাতও গোলাম আযমের ছেলেকে আটকের বিষয়ে কিছু বলতে পারেননি। তিনি বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না। কেবল বলতে পারি, তাকে আমরা ধরিনি।’
ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম শাখার অতিরিক্ত উপকমিশনার ইউসুফ আলী বলেন, ‘গোলাম আযমের ছেলেকে কেউ ধরেছে কি না, এ বিষয়ে আমাদের কাছে কোন তথ্য নেই।’