মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২

ফটিকছড়িতে দুই পক্ষে সংঘর্ষ

| প্রকাশিতঃ ২৬ অগাস্ট ২০১৬ | ৮:৫৫ অপরাহ্ন

ctgচট্টগ্রাম: চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে দুটি ধর্মীয় মতাদর্শের অনুসারীদের দুপক্ষে (কওমী-সুন্নি) সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন।

শুক্রবার বিকাল ৪টার দিকে নানুপুর-রোসাংগিরি সড়কের জমিরিয়া ইন্টান্যাশনাল মাদ্রাসার সামনে এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে ঘটনাস্থল ও আশেপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

জানা গেছে, শুক্রবার বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে কয়েকটি চাঁদের গাড়ী (জিপ) নিয়ে ইসলামী ফ্রন্টের নেতাকর্মীরা দক্ষিন ফটিকছড়ি থেকে নাজিরহাট ঝংকার মোড়ে অনুষ্ঠিত একটি সমাবেশে যাচ্ছিল। ইসলামী ফ্রন্ট নেতা নুরুল ইসলাম ফারুকীর হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবীতে সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হয়। তাদের বহনকারী গাড়ী বহরটি নানুপুর-রোসাংগিরি সড়কের জমিরিয়া মাদারাসার সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় এক মাদ্রাসা ছাত্র মাইকের শ্লোগান দেয়া বন্ধ করতে বলেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষে সংঘর্ষ শুরু হয়।

জমিরিয়িা মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা শিহাব জানান, পরিকল্পিতভাবে মাদ্রাসার গেইটের সামনে এসে আপত্তিকর শ্লোগান দিতে থাকে তারা। এসময় মাদ্রাসার ছাত্ররা ঘুমাচ্ছিল। তাদের অনবরত শ্লোগান শুনে মাদরাসার এক ছাত্র গেইটে এসে শব্দ না করে পথ অতিক্রম করার কথা বলেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ইসলামী ফ্রন্টের নেতাকর্মীরা মাদরাসার ভিতরে প্রবেশ করে সবাইকে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এরপর স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলা কারীরা চারটি চাঁদের গাড়ী ফেলে চলে যায়।

এদিকে ইসলামী ফ্রন্ট যুবসেনার সাংগঠনিক সম্পাদক মো.হুমায়ুন কবির ফয়েজ বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল নিয়ে চাঁদের গাড়ী যোগে নাজিরহাট সমাবেশে যাচ্ছিলাম। নানুপুর জমিরিয়া মাদরাসার গেইটের সামনে পৌছামাত্রই মাদ্রাসার উপর থেকে ছাত্ররা ইট মারতে থাকে। এতে আমাদের কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন।

ফটিকছড়ি থানার সেকেন্ড অফিসার (এসআই) ইখতিয়ার উদ্দিন বলেন, ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রনে রয়েছে। যাতে করে আর কোন অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সে ব্যাপারে প্রশাসন সতর্ক রয়েছে।