চট্টগ্রাম: শ্রমিকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহারের পর রোববার দুপুর থেকে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে জাহাজ থেকে পণ্য স্থানান্তর শুরু হয়েছে। এরআগে কর্ণফুলী নদীর ঘাটগুলোতে সকাল আটটা থেকে পণ্য খালাস শুরু হয়। গত শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে নৌ শ্রমিকরা কর্মবিরতি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়।
শিপ হ্যান্ডেলিং অ্যান্ড বার্থ অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস চেয়ারম্যান একেএম শামসুজ্জামান বলেন, শনিবার মধ্যরাতে রাজধানীর মতিঝিলের শ্রম ভবনে সরকার, মালিক-শ্রমিকদের ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের পর কর্মবিরতি প্রত্যাহারের এ সিদ্ধান্ত নেয় নৌ শ্রমিক সংগ্রাম পরিষদ। এরপর রোববার দুপুর থেকে বহির্নোঙরে বড় জাহাজ থেকে ছোট জাহাজে পণ্য স্থানান্তর কাজ শুরু হয়েছে।
লাইটার জাহাজ শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নবী আলম জানান, কর্ণফুলী নদীর ঘাটগুলোতে রোববার সকাল থেকে লাইটার জাহাজ থেকে পণ্য খালাস শুরু হয়েছে।
ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট সেলের নির্বাহী পরিচালক মাহবুব রশীদ বলেন, আমদানিকারকদের ১১৬ জাহাজ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। সেগুলোতে কাজ শুরু হয়েছে। নতুন করে আরও লাইটার জাহাজ বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে।
এর আগে বাংলাদেশ নৌ শ্রমিক সংগ্রাম পরিষদের ব্যানারে গত সোমবার (২২ আগস্ট) দিনগত রাত ১২টা থেকে চারদফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট পালন করে নৌ শ্রমিকরা। এ কারণে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে সব ধরনের পণ্য খালাস বন্ধ হয়ে পড়ে। বন্ধ হয়ে যায় নৌপথে শিল্পের কাঁচামালসহ সব ধরনের পণ্য পরিবহন। টানা পাঁচ দিনের কর্মবিরতিতে বন্দরের বহির্নোঙরে ৫২টি বড় জাহাজে প্রায় সাড়ে ১১ লাখ টন পণ্য আটকা পড়ে।