মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২

জামায়াত ইসলামি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় হুমকি : জিম ব্যাংকস

| প্রকাশিতঃ ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮ | ১:০৩ অপরাহ্ন

একুশে ডেস্ক : জামায়াত ইসলামির মতো দল গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় হুমকি বলে মন্তব্য করেছেন প্রভাবশালী মার্কিন কংগ্রেসম্যান জিম ব্যাংকস। একই সঙ্গে বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরাপদ নির্বাচনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনকে সামনে রেখে সহিংসতা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন জিম ব্যাংকস।

ওয়াশিংটনে আয়োজিত ‘স্ট্যাবিলিটি, ডেমোক্রেসি অ্যান্ড ইসলামিজম’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় এসব কখা বলেন জিম ব্যাংকস।

স্বাগত বক্তব্যে জিম ব্যাংকস বলেন, মুসলিম প্রধান দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশকে খুবই ইতিবাচকভাবে দেখে যুক্তরাষ্ট্র। পিউ রিসার্চের একটি জরিপ উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের ৭৬ শতাংশ মানুষও যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপারে ইতিবাচক। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের দিকে পুরো বিশ্ব তাকিয়ে আছে। যুক্তরাষ্ট্র চায় যেন একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক নির্বাচন হোক এবং সবার ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত হোক।

জিম ব্যাংকস বলেন, বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল গণতান্ত্রিক দেশ। বাংলাদেশের গণতন্ত্রের বয়স খুব বেশি নয়। বিশ্বদরবারে তাদের অবস্থান জানাতে শুরু করে। কিন্তু জামায়াতে ইসলামির মতো দলগুলো এই উন্নয়নের জন্য হুমকি।

তিনি বলেন, উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলো খ্রিস্টান, হিন্দু ও বৌদ্ধদের মতো সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা চালিয়েছে। হামলার শিকার হয়েছেন আধুনিক মুসলিমরাও।

জিম ব্যাংকস বলেন, ক্ষমতা দখলে কিছু উগ্রবাদী সংগঠন এই গণতান্তিক প্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। উগ্রপন্থী ইসলামি গোষ্ঠীগুলো মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকারকে সহায়তা করবে যুক্তরাষ্ট্র। ইউএসএআইডি ও মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরেকে বলা হয়েছে যেন এমন উগ্রবাদী গোষ্ঠী সংশ্লিষ্ট কোনও সংগঠনকে সহায়তা করা না হয়।

জিম ব্যাংকস বলেন, ২০১৭ সালের জুলাই থেকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত সম্পর্ক উন্নতি হয়েছে। শান্তিরক্ষা মিশনের অংশ নেওয় বাংলাদেশি সেনাদের প্রশিক্ষণে ৩৬ লাখ ডলার সহায়তা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এসময় তিনি জাতিসংঘে সর্বোচ্চ সংখ্যক সেনা সহায়তা দেওয়ায় বাংলাদেশের প্রশংসা করেন।

আলোচনা সভায় আরও অংশ নেন লিবার্টি সাউথ এশিয়ার সেথ ওল্ডমিক্সন, মিডল ইস্ট ফোরামের স্যাম ওয়েস্ট্রপ ও ইনভেস্টিগেটিভ প্রজেক্ট অন টেরোরিজম এর আভা শংকর। সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন হাডসন ইনস্টিটিউটের পরিচালক রাষ্ট্রদূত হুসাইন হাকানি।

একুশে/ডেস্ক/এসসি