মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২

শীর্ষ ‘জঙ্গি’ নেতা মুরাদ নিহত

| প্রকাশিতঃ ২ সেপ্টেম্বর ২০১৬ | ১০:৪৪ অপরাহ্ন

6c05_126514রাজধানীর মিরপুরে রূপনগর হাউজিং কলোনিতে একটি জঙ্গি আস্তানায় অভিযান চালিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। শুক্রবার আটটার পর অভিযান শুরু হয়ে চলে সোয়া ৯টা পর্যন্ত। এ সময় গোলাগুলিতে জঙ্গিদের প্রশিক্ষক মুরাদ ওরফে জাহাঙ্গীর নিহত হন। তিনি জঙ্গিদের কাছে মেজর মুরাদ নামে পরিচিত ছিলেন। অভিযান চলাকালে ‘জঙ্গি’ মুরাদের গুলি ও চাপাতির কোপে আহত হয়েছেন তিন পুলিশ কর্মকর্তা। তাদেরকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে সেখান থেকে দুই কর্মকর্তাকে স্কয়ার হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

অতিরিক্ত আইজিপি মুখলেছুর রহমান অভিযান সমাপ্ত হওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানান, অভিযানকালে জঙ্গি মুরাদ একাই ওই বাসায় ছিলেন। তিনি প্রথমে পুলিশ সদস্যদের ওপর গুলি চালান এবং চাপাতি দিয়ে কোপান। পরে পুলিশের গুলিতে মারা যান।

রূপনগর আবাসিক এলাকার ৩৩ নম্বর সড়কের ৩৪ নম্বর বাসায় এই অভিযান চালানো হয়। বাড়ির মালিকের নাম হাশেম। তিনি বর্তমানে হজে আছেন। বাড়ির লোকজন অভিযান চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করেছেন বলে জানান মুখলেছুর রহমান।

পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের উপ কমিকশনার মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন বলেছেন, ‘মেজর’ মুরাদ ছিলেন ‘নব্য জেএমবি’র মাস্টার মাইন্ড এবং তামিম চৌধুরীর সেকেন্ড ইন কমান্ড। সাংগঠনিকভাবে তিনি ‘মেজর’ মুরাদ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

অভিযান চলাকালে জঙ্গিদের ধারালো অস্ত্রের কোপে রূপনগর থানার ওসি শহীদ আলম, পরিদর্শক তদন্ত শাহীন ফকির ও এসআই মমিনুর রহমান আহত হয়েছেন। তাদের আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে সেখানে তাদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর স্কয়ার হাসপাতাল পাঠানো হয়। ওসি শাহীন ফকিরের বা-হাতে ধারালো অস্ত্রের আঘাত ছাড়াও তাঁর তলপেটে দুটি গুলির আঘাত রয়েছে। সেখানে তাদের দেখার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছুটে যান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, আহত পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রয়োজনে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে।