সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২

চবিতে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে পেটালো ছাত্রলীগ

| প্রকাশিতঃ ১ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ | ১১:২৭ অপরাহ্ন


চবি প্রতিনিধি : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) হলে সিট দখলকে কেন্দ্র করে একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে মারধর করেছে ছাত্রলীগের একাংশের কর্মীরা।

মারধরের শিকার এমদাদুল হক অর্থনীতি বিভাগের (২০১২-১৩) শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। মারধরকারীরা চবি শাখা ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম সম্পাদক আবু সাঈদের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

শুক্রবার রাত সোয়া ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের এ এফ রহমান হলে এই ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, এমদাদুল হক এ এফ রহমান হলের ৪০১ নম্বর কক্ষে আবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে দীর্ঘদিন অবস্থান করছিলেন। স্নাতকোত্তর পরীক্ষা শেষে তার কক্ষটি ছেড়ে দেওয়ার কথা। ইতোমধ্যে কক্ষটি বরাদ্দ পেয়েছেন বিপি.এড কোর্সের শিক্ষার্থী রবিউল ইসলাম।

কিন্তু শুক্রবার হলটিতে অবৈধভাবে দখল করতে যায় ছাত্রলীগের কর্মীরা। বিষয়টি হলের সিনিয়র ছাত্রলীগ নেতাকে অবহিত করলেও ছাত্রলীগ কর্মীরা এমদাদুল হককে তার কক্ষে বেধড়ক মারধর করেন। এ খবর শুনে তার সহপাঠী ফাহিম হাসান বিষয়টি প্রক্টরকে অবহিত করলে তাকেও হলের সামনে ১৫-২০ জন শিক্ষার্থী মারধর করে বলে অভিযোগ।

ফাহিম হাসান যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে সম্প্রতি স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন এবং বিপিএড কোর্সে অধ্যয়নরত।

এ ব্যাপারে এমদাদুল হকের সহপাঠী ফাহিম হাসান বলেন, পরিবহন দপ্তরের ঝুপড়িতে অবস্থানকালে এমদাদকে মারধরের খবর শুনতে পেয়ে প্রক্টর স্যারকে জানাই। এ সময় পাশে থাকা ছাত্রলীগের কর্মীরা এটি জানতে পেরে আমাকে টেনে-হেঁচড়ে হলের সামনে নিয়ে যায়। পরে ছাত্রলীগের ১৫-২০ জন কর্মী আমাকে হলের ফটকে মারধর করে।

চবি শাখা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আবু সাঈদ একুশে পত্রিকাকে বলেন, মারধরের বিষয়টি আমরা জানতে পেরেছি। ওদের বন্ধুদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি থেকে সমস্যাটার সৃষ্টি হয়েছে। আমরা বিষয়টি মিমাংসার চেষ্টা করছি।

এদিকে চবি প্রক্টর অধ্যাপক আলী আজগর চৌধুরী বলেন, মারধরের বিষয়টি শুনেছি। অভিযোগের ভিত্তিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।