চট্টগ্রাম: আগামী তিন অর্থ বছরের মধ্যে নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডের সবগুলো সড়ককে কার্পেটিং করা হবে বলে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। রোববার নগর ভবনের কে বি আবদুচ ছত্তার মিলনায়তনে সিভিল সোসাইটি কো-অর্ডিনেশন কমিটির ৫ম সভায় তিনি এ কথা জানান।
মেয়র বলেন, নগরীর সবগুলো খাল ও নালার মাটি উত্তোলন করা হবে। শহরকে এলইডি, সোলারের আওতায় এনে শতভাগ আলোকিত করা হবে। নগরীর ফুটপাত, মিডআইল্যান্ড ও গোলচত্বর বিউটিফিকেশনের আওতায় দৃষ্টিনন্দন ও গ্রীন করা হবে। নগরীর যানজট নিরসনসহ ট্রাফিক সিষ্টেমকে আধুনিকায়ন করা হবে।
মেয়র বলেন, নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডকে জরিপ করে ভিডিও করা হয়েছে। ভিডিও ফুটেজ দেখে দেখে অবৈধ স্থাপনা অপসারন করার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। নগরীর সৌন্দর্য রক্ষা ও বৃদ্ধির স্বার্থে এবং যানজট নিরসন ও জনসাধারনের চলাচলের স্বার্থে রাস্তাগুলোকে অবৈধ দখল থেকে উদ্ধার করা হবে। হকারদের স্বার্থে হকারদেরকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনা হবে।
মেয়র বলেন, শতশত কোটি টাকার দায় দেনা, দুর্নীতি ও অনিয়ম নিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করার পরও বিগত ১৪ মাসের মধ্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে নিয়ম শৃংখলার মধ্যে নিয়ে আসা হয়েছে। আন্তরিকতা, সঠিক পরিকল্পনা ও দৃঢ়তা থাকলে কঠিনকে জয় করা যায়। তার প্রমান স্বরূপ মেয়র বলেন, বিলবোর্ড উচ্ছেদ একটি জলন্ত প্রমান।
তিনি বলেন, রাতে বর্জ্য অপসারনের কাজ চলছে তা অব্যাহত থাকবে। ডোর টু ডোর আবর্জনা সংগ্রহ করার পাইলট প্রকল্প চলমান আছে। ব্যয় বহুল এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে নগরীর পরিবেশ অনেক উন্নত হবে।
সভায় কমিটির সদস্য সচিব ও সিটি কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল হোসেন, কমিটির সদস্য কাউন্সিলর, সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সভাপতি কলিম সরওয়ার, সাবেক সভাপতি আলী আব্বাস, সুপ্রভাত বাংলাদেশের সহযোগী সম্পাদক এম নাসিরুল হক, বিজিএমইএ’র প্রথম সহ সভাপতি মঈন উদ্দিন আহমদ মিন্টু, আইইবি’র সাবেক সভাপতি প্রকৌশলী মোহাম্মদ হারুন, আইইবি’র চট্টগ্রাম কেন্দ্রের ভাইস চেয়ারম্যান প্রকৌশলী এম এ রশিদ, সনাক সভাপতি প্রকৌশলী মো. দেলোয়ার হোসেন মজুমদার, চেম্বার পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ, অহিদ সিরাজ স্বপন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।