মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২

পটিয়ায় শিক্ষানবিশ দুই আইনজীবীর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ

| প্রকাশিতঃ ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০ | ৮:৫৫ অপরাহ্ন

 

পটিয়া প্রতিনিধি : চট্টগ্রামের পটিয়ায় শিক্ষানবিশ দুই আইনজীবীর বিরুদ্ধে সেবা প্রার্থীদের সাথে প্রতারণার অভিযোগ তুলেছেন পটিয়া জুড়িসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে কর্মরত প্রবীণ আইনজীবীরা।

আইনি সেবা প্রার্থীদের কাছে আইনজীবী পরিচয়ে সেবা প্রার্থীদের হয়রানি ও মামলা বাগিয়ে নেয়ার পাশাপাশি প্রতারণা অভিযোগে ব্যবস্থা নিতে গত ২৩ জানুয়ারি পটিয়া আইনজীবী সমিতির কাছে একটি অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। তাতে পটিয়া আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট বদিউল আলম স্বাক্ষর করেন।

অভিযুক্ত শিক্ষানবিশ দুই আইনজীবী হলেন পটিয়া উপজেলার দক্ষিণ খরনা এলাকার বাসিন্দা মৃত আবদুল আজিজের কন্যা আয়েশা আক্তার সুমি ও চকরিয়া উপজেলার পেকুয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা শাখাওয়াত হোসেন।

লিখিত অভিযোগে জুড়িসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে কর্মরত ১৪ জন আইনজীবী স্বাক্ষর করেন।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়, পটিয়া জুড়িসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আইজীবীদের চেয়ারে বসে এসব শিক্ষানবিশরা আইনজীবী পরিচয়ে সেবা প্রার্থীদের সাথে প্রতারণা করছে। বিচার প্রার্থীদের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দেয়ার কথা বলে টাকা গ্রহণ করছে এবং কর্মরত আইনজীবীদের কাছ থেকে মামলা বাগিয়ে নিচ্ছে।

ইতোমধ্যে অভিযুক্তদের শিক্ষনবিশকাল সময় পার হলেও আদালতে তাদের কোন সিনিয়র আইনজীবী নেই। এরপরও তারা আদালতের বারান্দায় ও আশেপাশে ঘোরাঘুরি এবং সমিতির চেয়ারে বসে সেবা প্রার্থীদের বিভিন্ন সুবিধা দেয়াসহ আইন ও বিচার সম্পর্কে পরামর্শ প্রদান করে যাচ্ছে। পরবর্তীতে সেবা প্রার্থীদের সাথে রূঢ় আচরণ করে। এ বিষয়ে দুই শিক্ষানবিশকে সতর্ক করা হলেও তারা সতর্ক না হওয়ায় টাউট আইনে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আবেদন করা হয়।

এ বিষয়ে শিক্ষানবিশ আয়েশা সুলতানা সুমি বলেন, আমি অ্যাডভোকেট ফোরকানের সাথে শিক্ষানবিশ হিসেবে আদালতে কাজ করি। এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট ফোরকান জানান, সুমি নামের আমার কোন শিক্ষানবিশ আইনজীবী নেই।

শিক্ষানবিশ শাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমি অ্যাডভোকেট এনামুল হকের সাথে কাজ করি। এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট এনামুল হক বলেন, শাখাওয়াত হোসেন নামে আমার কোন শিক্ষানবিশ আইনজীবী নেই। তিনিও দায়েরকৃত অভিযোগে অভিযোগকারী হিসেবে স্বাক্ষর করেছেন বলে জানান।

পটিয়া আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অনুপম নাথ জানান, দুই শিক্ষানবিশের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ আমরা পেয়েছি। এ বিষয়ে সমিতির বৈঠকে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তবে আইনের সহায়তা নিতে আসা ব্যাক্তিরা হয়রানির স্বীকার হচ্ছেন বলে আইনজীবীদের অভিযোগ।

একুশে/এএ