মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২

চবির হল-অনুষদে মিলবে স্যানেটারি ন্যাপকিন

| প্রকাশিতঃ ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০ | ৫:০৭ অপরাহ্ন


চবি প্রতিনিধি : ঋতুস্রাবের দিনগুলোতে ছাত্রীদের ভোগান্তি লাঘব ও সতেচনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) বসছে স্যানেটারি ন্যাপকিন বক্স।

আগামী সপ্তাহে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬টি অনুষদ, ১টি ইনস্টিটিউট ও জননেত্রী শেখ হাসিনা হলে বসানো হবে ভেন্ডিং মেশিনে।

জানা যায়, ১০০টি প্যাড ধারণক্ষমতা বিশিষ্ট ৬টি ও ৫০টি প্যাড ধারণক্ষমতা বিশিষ্ট ২টি ভেন্ডিং মেশিন ইতোমধ্যে ভারত থেকে আমদানি করা হয়েছে। প্রতিটি মেশিনের নির্দিষ্ট স্থানে ৫ টাকার কয়েন (ধাতব মুদ্রা) ফেললেই বেরিয়ে আসবে একটি প্যাড। সহজেই ছাত্রীরা তা ব্যবহার করতে পারবেন। ছাত্রীদের মধ্যে এটি ব্যবহারের প্রবণতা বাড়াতে উদ্বোধনের প্রথম সপ্তাহে বিনামূল্যে ভেন্ডিং মেশিন থেকে প্যাড সংগ্রহ করা যাবে। এরপর থেকে নির্দিষ্ট মূল্যেই প্যাড সংগ্রহ করতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ, সমাজবিজ্ঞান অনুষদ, কলা ও মানববিদ্যা অনুষদ, বিজ্ঞান অনুষদ, আইন অনুষদ, জীববিজ্ঞান অনুষদ, বন ও পরিবেশবিদ্যা ইনস্টিটিউটে মেয়েদের ওয়াশ রুমের পাশে ও শেখ হাসিনা হলের কমন রুমে ভেন্ডিং মেশিনগুলো স্থাপন করা হবে।

তৌসিফ আহামেদের এমন উদ্যেগকে স্বাগত জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সর্বত্র চলছে ইতিবাচক আলোচনা। শিক্ষার্থীরা বলছেন, অনেক সময় দোকানে গিয়ে ছাত্রীরা ন্যাপকিন কিনতে সংকোচ বোধ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের হল ও অনুষদগুলোতে পাওয়া গেলে ছাত্রীরা তা সহজেই সংগ্রহ করতে পারবে। এতে করে তারা বাঁচবে স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে। তাছাড়া এর মাধ্যমে ছাত্রীদের সচেতনতা আরও বৃদ্ধি পাবে।

এ বিষয়ে তৌসিফ আহমেদ একুশে পত্রিকাকে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষদ ও হলগুলোর আশপাশে স্যানিটারি ন্যাপকিন চাইলে সহজেই পাওয়া যায় না। ফলে ঋতুস্রাবের দিনগুলোতে ছাত্রীদের ভোগান্তি পোহাতে হয়। যা তাদের জন্য অস্বস্তিদায়কও। তাই কীভাবে এ সমস্যা লাগব করা যায় এমন চিন্তা থেকেই এ উদ্যোগ।

তিনি আরও বলেন, ২০১৯ সালের অক্টোবরে অংশ নিই এলজির অ্যাম্বাসেডর প্রোগ্রামে। সেখানে চারজনের আইডিয়ার মধ্যে আমার আইডিয়াও চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়। পুরষ্কার স্বরূপ এলজি চবিতে স্যানিটারি ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন স্থাপনে সাড়ে চার লাখ টাকা অনুদান দেয়। আর এর মাধ্যমেই প্রাথমিকভাবে বসানো হচ্ছে ভেন্ডিং মেশিন। শিক্ষার্থীদের এর রক্ষণাবেক্ষণে সাহায্য করতেও আহ্বান জানান তিনি।