সোমবার, ২৫ মে ২০২০, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

ঝাড়ি-বকা কম দিস ভাই, বয়সে আমি তোর বড়: মোমিনুলকে তামিম

প্রকাশিতঃ রবিবার, মে ১৭, ২০২০, ৮:৫৩ অপরাহ্ণ


ঢাকা : জুয়াড়ির তথ্য গোপন করায় আইসিসি কর্তৃক দু’বছরের নিষেধাজ্ঞা পান সাকিব আল হাসান। তার নিষেধাজ্ঞার পর বাংলাদেশের টেস্ট দলের অধিনায়কত্ব পান মোমিনুল হক। দেশের ক্রিকেটের সব থেকে বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বটা মোমিনুলের কাঁধেই বলে মনে করেন বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল।

গতকাল রাতে নিজের ফেসবুকে পেইজে তামিমের লাইভ আড্ডায় এসেছিলেন মোমিনুল হক, সৌম্য সরকার এবং লিটন দাস। সেখানে মোমিনুলকে নিয়ে তামিম বলেন, ‘বাংলাদেশের ক্রিকেটের সব থেকে বড় দায়িত্ব মোমিনুলের কাঁধে। ক্রিকেটের সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন ভার্সন হচ্ছে টেস্ট। সব থেকে বেশি সম্মানের খেলা টেস্ট। তাই সব থেকে বেশি সম্মানের হলো, টেস্টের অধিনায়কত্ব করা। আমার মনে হয় টেস্টে আমাদের জন্যই তুই-ই সেরা অধিনায়ক।’

তামিমের কথা শুনে নিজের অধিনায়কত্ব পাওয়ার স্মৃতি রোমন্থন করেন মোমিনুল। তিনি বলেন, ‘আমি যখনই অধিনায়কত্বের প্রস্তাব পাই, তখনই আমার মনে হয়েছিল অধিনায়কত্ব করার এটাই সব থেকে ভালো সময়। কারন আমার দলে চার-পাঁচজন সিনিয়র খেলোয়াড় আছে। যারা ১০ বছর ধরে ক্রিকেট খেলছে। সেই সাথে আরও তিন-চারজন জুনিয়র আছে, যারা খুবই ভালো ক্রিকেট খেলে। ভালো কিছু স্পিনার ও পেসারও আছে। সবকিছু মিলিয়ে আমার মনে হয়েছে, এটাই অধিনায়কত্বের দায়িত্ব নেওয়ার সবচেয়ে উপযুক্ত সময়।’

দলের সিনিয়র খেলোয়াড়রাই সবচেয়ে বেশি অনুপ্রেরণা ও সাহস দেন মোমিনুলকে, এমনটা স্বীকারও করেছেন তিনি, ‘তামিম ভাই, আপনারা যারা সিনিয়র আছেন তারাই আমাকে বেশি অনুপ্রেরণা দেন। আপনারা সিনিয়ররা আরো কমপক্ষে পাঁচ-ছয় বছর খেলবেন। আমার চিন্তা, এই সময়টাতে আমি দেশের টেস্ট ক্রিকেটটাকে আরও এগিয়ে নিতে পারবো।’
অধিনায়ক হবার পর দলের সকলকে ভালোবাসার ছলে বকা-ঝাড়িও দেন মোমিনুল। দেশের মাটিতে সর্বশেষ টেস্ট সিরিজে জিম্বাবুয়েকে হারানোর পর সংবাদ সম্মেলনে মোমিনুল তা বলেছিলেন।

কাল লাইভ আড্ডায় তামিম সেই সংবাদ সম্মেলনের কথা মনে করি দিয়ে বলেন, ‘মোমিনুল মাঝে মাঝে এক-দুইটা ঝাড়িও, আমাদেরও দিয়ে ফেলিস। নেতৃত্ব উপভোগ করছিস, ভালো, উপভোগ কর। কিন্তু ঝাড়ি-বকা কম দিস ভাই, বয়সে তো আমি তোর সিনিয়র।’

এরপর মোমিনুলের উত্তর এমন ছিলো, ‘একমাত্র ঝাড়ি কিন্তু আপনাকেই মারি। এটা নির্ভর করে, যখন কোনো বাজে শট খেলেন, তখন মারি।’