
আবু আজাদ, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন থেকে : ভালোই ভালোই শুরু হয়েছিল সবকিছু। সকাল ১০ টা সাড়ে ১০ টার মধ্যেই একে একে উপস্থিত হন প্রধান অতিথি ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা। সোয়া ১১টায় বাইরে এসে সম্মেলন উদ্বোধন করেন অতিথিরা।
এরপর যথারীতি অনুষ্ঠান শুরু হয়। বেলা পৌনে ১২ টার দিকে শুভেচ্ছা বক্তব্য দিতে আসেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন। তখনই শুরু হয় উত্তেজনা, পাল্টাপাল্টি স্লোগান। তাদের থামাতে ব্যর্থ হয়ে একপর্যায়ে বক্তব্য বন্ধ করে দেন জাকির।
এই উত্তেজনার মাঝেই বক্তৃতা দিতে আসেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ সভাপতি সাকিব হাসান। এসময় প্রথমে চেয়ার ছোড়াছুড়ি এবং পরে সম্মেলন কক্ষের পশ্চিম-দক্ষিণ কোণায় আকস্মিক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। একই সময়ে সম্মেলনের বাইরে এক গ্রুপ আরেক গ্রুপের উপর হামলা চালায়।
ককটেল বিস্ফোরণে দুজন সহ এই ঘটনায় অন্তত ১৫ ছাত্রলীগ নেতা-কর্মী আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৫ জনের নাম পাওয়া গেছে। এরা হলেন রবিউল ইসলাম (১৭), সবুজ আহমেদ (১৯), নিপু হাওলাদার (১৮), সাজ্জাদুর রহমান (২০) ও মোহাম্মদ রিফাত (১৭)। ককটেল বিস্ফোরণে আহত আহত দুজনের পরিচয় জানা যায়নি। আহত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পাঁজাকোলা করে তাদের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয।
সাড়ে ১২টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অতিথিরা সম্মেলনস্থল ত্যাগ করে বেরিয়ে গেছেন। সম্মেলনস্থলে ছাত্রলীগের একটি অংশ মঞ্চের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিক্ষোভ করছে। বিক্ষোভকারীরা তোমার আমার ঠিকানা, পদ্মা মেঘনা যমুনা, আমি কে তুমি কে বাঙালি…এমনতর স্লোগানের পাশাপাশি রাউজান থেকে নির্বাচিত সাংসদ ফজলে করিমের পক্ষে স্লোগান দিতে শোনা যায়।
মন্ত্রী-এমপির উপস্থিতিতে ছাত্রলীগের চেয়ার ছোড়াছুড়ি, ককটেল বিস্ফোরণ কীভাবে দেখুন…