শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২

ট্রাম্প সম্পর্কে বিব্রতকর তথ্য সংগ্রহ রাশিয়ার

| প্রকাশিতঃ ১২ জানুয়ারী ২০১৭ | ৯:৪৯ পূর্বাহ্ন

রাশিয়া শুধু ডেমোক্রেটদের ওপরই হ্যাকিং করে নি। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কেও তারা বিব্রতকর কিছু তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করেছে। যদি কখনো প্রয়োজন হয় তাহলে ট্রাম্পকে ব্লাকমেইল করা হতে পারে তা দিয়ে। যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা প্রধানরা ট্রাম্পের সঙ্গে ব্রিফিংয়ে এমনটা জানিয়েছেন। ট্রাম্পের কাছে তুলে দেয়া গোয়েন্দাদের গোপন রিপোর্টে এমনটা আছে। এতে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত ও আর্থিক খাতের বিভিন্ন গোপন তথ্য রাশিয়ার হাতে চলে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প মস্কো সফরের সময় একটি পাঁচ তারকা হোটেলে অবস্থান করেছিলেন। ওই সময়ে তার যৌনতা সম্পর্কিত রেকর্ডিং রয়েছে রাশিয়ার হাতে। অনলাইন সিএনএন, স্কাই নিউজ সহ বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরে এ কথা বলা হয়েছে। তবে গোয়েন্দা প্রধানদের কাছ থেকে এ খবরের সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয় নি। ওই রিপোর্টে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের উচ্চ পর্যায়ের তথ্য রয়েছে। এরই মধ্যে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দু’পৃষ্ঠার একটি গোয়েন্দা তথ্য দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দারা। ওই রিপোর্টে বিস্তারিত রিপোর্টের মূল কথাগুলো রয়েছে। এ রিপোর্টের সমাবেশ করেছেন বৃটিশ সাবেক একজন গোয়েন্দা।

এসব তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার বিভিন্ন সোর্সের কাছ থেকে। এতে বলা হয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পকে উপযোগী করে তুলতে, তাকে সমর্থন ও সহযোগিতা করতে কমপক্ষে তৎপরতা চালিয়েছে রাশিয়ার শাসকগোষ্ঠী। গোয়েন্দারা বলছেন, ট্রাম্পের বিরোধী হিলারি ক্লিনটনের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন।

অন্যদিকে, ক্রেমলিন বুধবার তাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নব নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ক্রেমলিন এই অভিযোগগুলোকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। তারা মস্কোর সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করছে বলে জানিয়েছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেশকোভ সাংবাদিকদের বলেন, ‘ক্রেমলিনের কাছে ট্রাম্প সম্পর্কে সন্দেহজনক কোন তথ্য নেই।’ তিনি বলেন, এ ধরনের ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন’ অভিযোগ আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করার একটি প্রচেষ্টা।