
কক্সবাজার প্রতিনিধি : ‘আপনার নিউজ এর কারণে আমার মানসম্মান সব শেষ। আমি একটা চাকরি করি, সেটাও চলে যাচ্ছে। ‘ভাই, নিউজটা সরান নইলে স্ট্রোক করে মারা যাব।’
স্পা সেন্টারে ১২ তরুণীকে জিম্মি করে রাখা সংক্রান্ত একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর একুশে পত্রিকার প্রতিবেদককে উক্ত কথাগুলো বলেন অভিযুক্ত সাজ্জাদ হোসেন।
তিনি বলেন, আমি আমার ম্যানাজারকে আপনার কাছে পাঠাবো। আপনাকে খুশি করা হবে। প্লিজ আপনি কিছু একটা করেন। আমি আমার বাসার নিচে দাঁড়িয়ে আছি, বাসায় উঠতে ভয় পাচ্ছি। পরিবারকে আমি কী বলব।
এসময় তিনি স্পা সেন্টারে তরুণীদের জিম্মি করে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করার বিষয়টি আবারও অস্বীকার করেন।
এর আগে শুক্রবার (২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ‘সাজ্জাদের ডেরায় জিম্মি দুই ডজন তরুণী, বাধ্য হচ্ছেন পতিতাবৃত্তিতে’ শিরোনামে একুশে পত্রিকার অনলাইন ও প্রিন্ট ভার্সনে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
অভিযোগ উঠে, সাজ্জাদ হোসেন তার মালিকানাধীন কক্সবাজারের ডলফিনের মোড়ে ডায়নামিক এসএইচ রিসোর্ট-এর ২য় তলায় এরোমা থাই স্পা সেন্টার ও তারকা মানের হোটেল ওয়ার্ল্ড বীচে সুইডিশ থাই স্পা সেন্টার দু’টিতে অন্তত ২৫ জন তরুণী কাজ করেন। ওই তরুণীদের দিয়ে স্পার নাম করে মূলত অনৈতিক ও অসামাজিক কর্মকা- করানো হয় বলে একুশে পত্রিকার অনুসন্ধানে ওঠে আসে।
এদিকে প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর স্পা সেন্টার দু’টি থেকে বেশিরভাগ তরুণীদের অন্যত্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।