
ঢাকা : দেশে করোনা সংক্রমণ অব্যাহতভাবে বাড়তে থাকা অবস্থায় মৃত্যুর সংখ্যাও বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ভাইরাসটিতে নতুন করে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ১৩৮ জনে। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের সংখ্যা কিছুটা কমেছে। এই সময়ে শনাক্ত হয়েছে এক হাজার ২৮০ জন। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছিল এক হাজার ৬৮৫ জন। যদিও শনাক্তের হার আগের মতোই রয়েছে।
শনিবার (২৫ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশের ৮৮০টি পরীক্ষাগারে আট হাজার ৪৫৫ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে আগের কিছুসহ পরীক্ষা করা হয় আট হাজার ৪৯২টি নমুনা। এসব পরীক্ষায় এক হাজার ২৮০ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। ফলে দেশে মোট করোনা রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৬৩ হাজার ৪৯৩ জনে।
গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে শতকরা ১৫ দশমিক ০৭ শতাংশ। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৭৫ ভাগ এবং শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ১০ ভাগ। এছাড়া শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ৪৮ ভাগ।
নতুন করে মৃত তিনজনের মধ্যে একজন পুরুষ ও দুইজন নারী রয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজন সরকারি হাসপাতালে এবং একজন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। মৃতদের মধ্যে একজন ত্রিশোর্ধ্ব, একজন চলিশোর্ধ্ব এবং ষাটোর্ধ্ব একজন রয়েছেন। তাদের মধ্যে দুইজন ঢাকা এবং একজন বরিশালের বাসিন্দা।
এদিকে করোনায় এখন পর্যন্ত মোট মৃতদের ১৮ হাজার ৬০১ জন পুরুষ (৬৩ দশমিক ৮৪ ভাগ) ও ১০ হাজার ৫৩৭ জন নারী (৩৬ দশমিক ১৬ ভাগ)।
গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১০২ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ছয় হাজার ৫১৯ জনে।
২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস সময়ের ব্যবধানে পৃথিবীজুড়ে মহামারিতে রূপ নেয়। বাংলাদেশে প্রথম করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয় ২০২০ সালের ৮ মার্চ। এর ১০ দিনের মাথায় ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে করোনায় প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। গত বছরের ৫ ও ১০ আগস্ট দুদিন সর্বাধিক ২৬৪ জন করে মারা যান।