চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার এক চেয়ারম্যানসহ ১০ জনকে অস্ত্রসহ আটকের ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। ভিকটিমের সঙ্গে সমঝোতা হওয়ায় ও অস্ত্রের লাইসেন্স দেখানোর কারণে মঙ্গলবার বিকেলে তাদের ছেড়ে দেয় পুলিশ।
সোমবার রাত ১২টার দিকে নগরীর নন্দনকাননে আর এফ পুলিশ প্লাজা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। আটক শামসুল আলম (৩৫) চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার চরণদ্বীপ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। এ ঘটনায় তার আরও ৯ সহযোগিকে আটক করা হয়। অপহরণের শিকার ব্যবসায়ী নুরুন্নবীকে উদ্ধার অভিযানে ওই ব্যবসায়ীকে উদ্ধারের পাশাপাশি দুইটি শটগান ও ২৮ রাউন্ড গুলি এবং একটি কালো মাইক্রোবাসও উদ্ধার করা হয়।
পাহাড়তলী থানার ওসি আলমগীর হোসেন বলেন, সোমবার সন্ধ্যায় ইফতারের পর ব্যবসায়ী মো. নূরুন্নবীকে তার সরাইপাড়ার বাসা থেকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে শামসুল ও তার সহযোগীরা। বিষয়টি জানার পর অভিযানে নামে পুলিশ। একপর্যায়ে পুলিশ জানতে পারে ওই ব্যবসায়ীকে নন্দনকাননের আর এফ পুলিশ প্লাজায় আটকে রাখা হয়েছে। এরপর রাত ১২টার দিকে কোতোয়ালী থানা পুলিশকে সাথে নিয়ে আর এফ পুলিশ প্লাজায় অভিযানে যায় পাহাড়তলী থানা পুলিশের একটি দল। সেখান থেকে অস্ত্রসহ ১০ জনকে হাতেনাতে আটক করে ও ওই ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করে পুলিশ।
তিনি আরও বলেন, শামসুল এবং নুরুন্নবী দুজন ব্যবসায়ীক পার্টনার। ব্যবসায়ীক বিরোধের জন্যই নুরুন্নবীকে তুলে আনা হয়। পরে উভয়পক্ষে সমঝোতা হয়েছে। নুরুন্নবী মামলা করতে আগ্রহী নন। এজন্য বিকেলে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে। অভিযানে উদ্ধার করা দুটি শটগানের লাইসেন্স আছে। তারা লাইসেন্স প্রদর্শন করেছে।