রবিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২

সাম্প্রদায়িক প্রশ্ন প্রণেতা শিক্ষকের নাম প্রকাশ্যে

| প্রকাশিতঃ ৮ নভেম্বর ২০২২ | ৩:৩৪ অপরাহ্ন


ঢাকা : ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা (মাউশি) বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষার বাংলা প্রথম পত্রের একটি প্রশ্ন নিয়ে সাম্প্রদায়িক মনোভঙ্গি ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। এবার প্রকাশ্যে এসেছে ওই প্রশ্ন প্রণয়নকারীর নাম।

মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) ঢাকা শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রদায়িক প্রশ্ন প্রস্তুতকারী ওই শিক্ষকের নাম প্রশান্ত কুমার পাল। ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ডা. সাইফুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন তিনি।

যশোর শিক্ষাবোর্ডের কর্মকর্তাদের ঘুষ দিয়ে তিনি প্রশ্নকর্তা হয়েছেন আগে থেকেই তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ছিলো। গত রবিবার থেকে শুরু হওয়া এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের বাংলা প্রথম পত্র বিষয়ের প্রশ্নপত্রে সাম্প্রদায়িক উস্কানির উপাদান আছে।

এ বিষয়ে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক (মাউশি) শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি বলেন, প্রশ্নটি যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের মাধ্যমে প্রনয়ন হয়েছে। এখন নিয়ম অনুযায়ী যশোর শিক্ষা বোর্ড অভিযুক্ত শিক্ষকদের শোকজ করবে। এরপর এদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করবে। সে অনুযায়ী শিক্ষা মন্ত্রণালয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

এই পত্রের একটি প্রশ্ন হলো-‘নেপাল ও গোপাল দুই ভাই। জমি নিয়ে বিরোধ তাদের দীর্ঘদিন। অনেক সালিশ-বিচার করেও কেউ তাদের বিরোধ মেটাতে পারেনি। কেউ কাউকে ছাড় দিতে নারাজ। এখন জমির ভাগ বণ্টন নিয়ে মামলা চলছে আদালতে। ছোট ভাই নেপাল বড় ভাইকে শায়েস্তা করতে আব্দুল নামে এক মুসলমানের কাছে ভিটের জমির এক অংশ বিক্রি করে। আব্দুল সেখানে বাড়ি বানিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে। কোরবানির ঈদে সে নেপালের বাড়ির সামনে গরু কোরবানি দেয়। এই ঘটনায় নেপালের মন ভেঙে যায়। কিছুদিন পর কাউকে কিছু না বলে জমি-জায়গা ফেলে সপরিবারে ভারতে চলে যায় সে।’