
চট্টগ্রাম : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রলীগের বিজয় গ্রুপের দুটি শাখার মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯ টার দিকে সোহরাওয়ার্দী হলের সামনে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়।
বিজয় গ্রুপের একাংশের নেতা মোহাম্মদ ইলিয়াস ও অপর একাংশের নেতা সাখাওয়াত হোসেনের অনুসারীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের এই ঘটনায় দুইজন আহত হয়েছেন।
জানা যায়, সন্ধ্যার দিকে ছাত্রলীগ নেতা মো. শহীদুল ইসলাম ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী মামুনকে দা দিয়ে আঘাতের চেষ্টা করলে তিনি দৌড়ে পালিয়ে যান।
এরপর ইলিয়াসের অনুসারীরা লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে শহীদুলকে ধাওয়া করার জন্য সোহরাওয়ার্দী হলের সামনে এলে ভুল বোঝাবুঝিতে সাখাওয়াত হোসেনের গ্রুপের অনুসারীদের মুখোমুখি হয় তারা। এসময় তাদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে জানতে ভুক্তভোগী মামুনের সঙ্গে একাধিকবার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা যায়নি।
এ বিষয়ে শাখা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বিজয় গ্রুপের একাংশের নেতা মোহাম্মদ ইলিয়াস বলেন, আমার এক জুনিয়রকে সোহরাওয়ার্দী হলের ১০-১৫ জন ছেলে মারধর করেছে। তার শারীরিক অবস্থা খারাপ। তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বিজয় গ্রুপের অপর একাংশের নেতা সাখাওয়াত হোসাইন বলেন, যারা আমাদের কাছে ছাত্ররাজনীতি শিখছে তাদের ইলিয়াস কিছুদিন আগে লেলিয়ে দিয়ে আমাদের সঙ্গে বেয়াদবি করিয়েছে। আজ তাদের আমরা একটু শাসন করেছি শুধু। এরপর তারা অতর্কিতভাবে আমাদের হলে আক্রমণ করে এক জুনিয়রকে আহত করেছে। দুটি দোকান ভাঙচুর ও ক্যাশ টাকা লুটপাট করেছে।
এ বিষয়ে চবি প্রক্টর অধ্যাপক ড. নুরুল আজীম সিকদার বলেন, দুই পক্ষের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। আমরা যথাসময়ে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছি। এখন পর্যন্ত একজনের মাথায় আঘাতসহ দুইজনের আহত হওয়ার খবর পেয়েছি।
বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জয়নুল আবেদীন জানান, আমরা প্রক্টরিয়াল বডির নির্দেশনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত আছি। বিশ্ববিদ্যালয়কে শান্ত রাখতে আমরা যাবতীয় প্রস্তুতি নিয়েছি।