
চট্টগ্রাম : পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর শাওয়াল মাসের প্রথম জুমার নামাজ আদায় শেষে এক বক্তব্যে গাউসিয়া হক মঞ্জিলের সাজ্জাদানশীন সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভান্ডারী (ম.) বলেছেন, হুজুর গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারীর (ক) প্রবর্তিত ত্বরিকা অনুসরণ করলে সমাজ ও রাষ্ট্রে ধনসাম্য, বিচারসাম্য, ধর্মসাম্য প্রতিষ্ঠিত হবে। এজন্য হুজুর গাউসুল আজম মাইজভান্ডারি সপ্ত পদ্ধতির মর্মার্থ, নিজেদের মধ্যে লালন করতে হবে, তার মহান বাণী দিকে দিকে পৌঁছে দিতে হবে।
গত ১২ এপ্রিল, মাইজভান্ডার দরবার শরীফে জুমার নামাজ আদায় শেষে উসুলে বা সপ্ত পদ্ধতি জগতের সামনে তুলে ধরার যোগ্যতা, সক্ষমতা এবং তৌফিক কামনা করে সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভান্ডারী (মাঃ) আরও বলেছেন, হুজুর গাউসুল আজম মাইজভান্ডারির (ক.) মহান শিক্ষার অভাবে সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাই তার আদর্শ উপযুক্তভাবে তুলে ধরতে হবে। তার প্রবর্তিত ত্বরীকার দাওয়াত সবার কাছে তুলে ধরতে হবে। হুজুর গাউসুল আজম কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে ইসলামকে বিশ্বের কাছে উপস্থাপন করেছেন। তিনি জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে, ধনী-গরিব, নারী-পুরুষ সকলের উপর ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার শিক্ষা দিয়েছেন৷ কোরআান-সুন্নাহর আদর্শ তথা তাওহীদে আদিয়ানের শিক্ষাকে জগতের সামনে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন।
নামাজ শেষে মোনাজাতে সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভান্ডারি (ম.) গাউসুল আজম মাইজভান্ডারি আল্লাহর আউলিয়ায়ে কেরামের শিক্ষার, আদর্শের অনুপ্রাণিত মানবসন্তান হিসেবে, মানবজাতির খাদেম হিসেবে, ত্বরীকতের খাদেম হিসেবে, উম্মাহর খাদেম হিসেবে শাহানশাহ সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভান্ডারীর (ক.) গোলামরা যাতে নিজেদেরকে গড়ে তুলতে পারে সেই তৌফিক কামনা করেন। তিনি সকলকে আর্থিক সংকট হতে উদ্ধার, কর্মময় জীবন দান,কর্জমুক্ত জীবন দান, ঋণমুক্ত থাকার তৌফিক দান, হালাল রিজিকের মাধ্যমে পিতা-মাতা পরিবারের উপযুক্ত খেদমতের তৌফিক দান এবং দুনিয়াবী সংকট হতে উদ্ধার করার জন্য আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ করেন।