রবিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২

দুর্নীতির দুই মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন

| প্রকাশিতঃ ১৯ অক্টোবর ২০১৭ | ৭:২৯ অপরাহ্ন

ঢাকা : বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া দুর্নীতির দুই মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে আজ জামিন পেয়েছেন।

জিয়া অরফানেজ ট্রাষ্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাষ্ট সংক্রান্ত দুর্নীতির দুই মামলায় বিচারিক আদালত গত ১২ অক্টোবর তার জামিন বাতিল করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আদেশ দেয়।

আজ বেগম খালেদা জিয়া রাজধানীর পুরান ঢাকার বকশীবাজারস্থ কারা অধিদপ্তরের প্যারেড মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী পাঁচ নম্বর বিশেষ জজ ড. মো. আকতারুজ্জামানের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থনা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন মঞ্জুর করে আদেশ দেয়। এ আদালতে এ দুই মামলার বিচার কার্যক্রম চলছে।

চিকিৎসার জন্য প্রায় তিন মাস দেশের বাইরে ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। গতকাল বুধবার বিকালে তিনি দেশে ফেরেন।

২০১১ সালের ৮ আগস্ট খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাটি দায়ের করে দুদক। এ মামলায় ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দেয়া হয়। এ মামলায় বিএনপি নেতা হারিছ চৌধুরী, তার তৎকালীন একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খানকে আসামি করা হয়।

অপরদিকে এতিমদের জন্য বিদেশ থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে জিয়া অরফানেজ মামলাটি দায়ের করে দুদক। ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় এ মামলাটি করা হয়। ২০০৯ সালের ৫ আগস্ট দুদক আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

অভিযোগপত্রে খালেদা জিয়া, তার বড় ছেলে তারেক রহমান, সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমানকে আসামি করা হয়।

এ দুই মামলায়ই বেগম খালেদা জিয়াসহ অপর আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ অভিযোগ গঠন করা হয়। এ দুই মামলায় এখন বিচার শেষ পর্যায়ে রয়েছে।