চট্টগ্রাম : চট্টগ্রাম মহানগরীর আওতাধীন ৪ নং চাঁন্দগাও ওয়ার্ড যুবলীগকর্মী কাকন মল্লিক হত্যার প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় নগরীর প্রবর্তক মোড়ে বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ ও সড়ক অবরোধ করেছে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।
চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগ সদস্য সাখাওয়াত হোসেন সাকুর সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ সদস্য আলাউদ্দীন বাবুর সঞ্চালনায় মিছিলোত্তর সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী যুবলীগের সদস্য হাসান মুরাদ বিপ্লব, নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আনোয়ারুল ইসলাম বাপ্পী, হেলাল উদ্দিন, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য কে.এম. শহিদুল কাউসার, নগর যুবলীগের সদস্য খোরশেদ আলম রহমান, মিনহাজ আবেদীন সায়েম, শহীদুর রহমান, সাবেক ছাত্রনেতা সাইফুদ্দীন আহমেদ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আব্দুর রশিদ লোকমান, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, ইয়াছির আরাফাত, ফয়সাল বাপ্পি, ছাত্রনেতা মহিউদ্দিন মাহি, মোঃ শাকিল, এম কায়সার উদ্দিন, ওয়াহেদ রাসেল, অছিউর রহমান, সনেট চক্রবর্ত্তী, এস.এম. হুমায়ুন কবির, রায়হানুল কবির শামীম, ওসমানগণি, শরীফ আহমেদ, ফাহাদ আনিস, বোরহান উদ্দিন গিফারী, মোস্তফা কামাল, জালাল আহমেদ রানা, সাখাওয়াত হোসেন পেয়ারু প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, গত ২২ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টায় নগরীর ৪নং চাঁন্দগাও ওয়ার্ডস্থ বাহিরসিগন্যাল ওয়েল টাওয়ারের সামনে বেশ দুর্বৃত্তরা চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সদস্য আলাউদ্দিন বাবুর উপর হামলা চালায়। এতে বাবুর সাথে থাকা ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ৪ কর্মী ছুরিকাহত হয়। তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৩ অক্টোবর মধ্যেরাতে যুবলীগকর্মী কাকন মল্লিক মৃত্যুবরণ করেন। অন্যরা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের কাজুয়েলিটি ওয়ার্ডে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।
বক্তারা আরো বলেন, চট্টগ্রামে একের পর এক লাশের রাজনীতি আগামী রাজনীতির জন্য অশুভ সঙ্কেত। চট্টগ্রামের রাজনীতিকে অস্থিতিশীল করতে একটি গোষ্ঠী রক্তের হোলিখেলায় মেতে উঠেছে। মহানগর ছাত্রলীগের সদস্য নাছিম আহমেদ সোহেল হত্যার এখনো পর্যন্ত সুষ্ঠু বিচার পাওয়া যায়নি। নাছিম আহমেদ সোহেল হত্যার ভিডিও ফুটেজ থাকা সত্ত্বেও আসামীদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশ ব্যর্থ হয়েছে। পুলিশের ব্যর্থতায় একের পর এক হত্যাকাণ্ড ঘটানো হচ্ছে।
অবিলম্বে সকল হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার ও সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেপ্তারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়।