
চট্টগ্রাম : চট্টগ্রাম মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) কার্যালয় থেকে গায়েব হওয়া ১ হাজার ৯১১ টি মামলার কেইস ডকেট (সিডি) নিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন হাইকোর্টের বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান। প্রতিবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, গায়েব হওয়া নথিগুলো ২০১৫ সালের পূর্বের ফৌজদারী মামলা সংক্রান্ত এবং বেশিরভাগ মামলাই ইতোমধ্যে নিষ্পত্তি হয়ে গেছে।
মঙ্গলবার চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার সরকার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ৬ জানুয়ারি দেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে “চট্টগ্রাম আদালতে ১ হাজার ৯১১ টি মামলার নথি গায়েব, থানায় জিডি” শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। তিনি চট্টগ্রাম-১ অঞ্চলের জন্য নিযুক্ত মনিটরিং কমিটি ফর সাব-অর্ডিনেইট কোর্টস এর প্রধান, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামানকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান তার প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের কোন এজলাস বা চেম্বার থেকে কোন ফৌজদারী মামলার নথি চুরি হয়নি। চুরি যাওয়া ১ হাজার ৯১১ টি কেইস ডকেট পিপি কার্যালয়ের বারান্দা থেকে চুরি হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গায়েব হওয়া কেইস ডকেটগুলো ২০১৫ সালের পূর্বের ফৌজদারী মামলা সংক্রান্ত এবং বেশিরভাগ মামলাই ইতিমধ্যে নিষ্পত্তি হয়ে গেছে। তাছাড়া, ফৌজদারী মামলার কেইস ডকেটের একটি অনুলিপি সংশ্লিষ্ট সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংরক্ষিত থাকে। ফলে, আদালতে বিচারাধীন কোন ফৌজদারী মামলা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।
এই ঘটনায় কোন বিচারকার্য ব্যাহত হবে না বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।