
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে চট্টগ্রামের সাবেক কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর ও তার স্ত্রী জেসমিন আক্তারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বুধবার দুদকের ঢাকা প্রধান কার্যালয়ে মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলায় বাবরের স্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রায় দুই কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়েছে এবং বাবরকে করা হয়েছে সহায়তাকারী হিসেবে আসামি।
দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক সুবেল আহমেদ মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দুদকের সহকারী পরিচালক মো. নওশাদ আলী বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, বাবরের স্ত্রী জেসমিন আক্তার ১ কোটি ৮৩ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন এবং ১৫ লাখ ৫০ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন।
জেসমিন আক্তারের বিরুদ্ধে দুদক আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭ (১) ধারায় এবং হেলাল আকবর চৌধুরী বাবরকে সহযোগিতার অভিযোগে দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় অভিযুক্ত করা হয়েছে। মামলার পর বাবরের বর্তমান অবস্থান জানতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপরতা শুরু করেছে বলে জানা গেছে।
হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর চট্টগ্রামে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে টেন্ডারবাজি, সহিংসতা, হত্যা ও চাঁদাবাজির একাধিক অভিযোগ রয়েছে। রেলওয়ের টেন্ডার নিয়ে বিরোধের জেরে ২০১৩ সালে ডাবল মার্ডারের এক ঘটনার পর তাকে কেন্দ্রীয় যুবলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
এর আগেও বিভিন্ন সময়ে তার বিরুদ্ধে ওঠা নানা অভিযোগের মধ্যে তিনি কয়েক দফায় দুবাইয়ে পালিয়ে যান এবং পরে দেশে ফিরে এসে আবার রাজনীতিতে সক্রিয় হন বলে অভিযোগ রয়েছে।