
চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. ফরিদুল আলমের উদ্যোগে আয়োজিত বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। গণসংযোগের পাশাপাশি সেবাধর্মী এই কার্যক্রম ভোটের মাঠে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন দলটির নেতাকর্মীরা।
ইতোমধ্যে উপজেলার ১৭টি ইউনিয়নের মধ্যে ১৪টিতেই এই কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার খরনা ইউনিয়নে আয়োজিত ক্যাম্পে বিপুল সংখ্যক মানুষকে সেবা নিতে দেখা গেছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় পটিয়ায় সামাজিক কর্মকাণ্ড জোরদার করে জামায়াতে ইসলামী। এরই অংশ হিসেবে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ঘোষিত দলীয় প্রার্থী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ফরিদুল আলমের নেতৃত্বে প্রতিটি ইউনিয়নে চিকিৎসা ক্যাম্প করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রতিটি ক্যাম্পে গড়ে পাঁচ শতাধিক এবং এ পর্যন্ত ১৪টি ক্যাম্পে আট হাজারের বেশি অসচ্ছল মানুষ বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ পেয়েছেন।
সেবা নিতে আসা স্থানীয়রা জানান, গ্রামীণ পর্যায়ে অর্থের অভাবে যারা ভালো চিকিৎসকের কাছে যেতে পারেন না, তাদের জন্য এটি বড় সুযোগ। নির্বাচনে জয়-পরাজয় যা-ই হোক, এমন মানবিক কার্যক্রম যেন অব্যাহত থাকে—এমনটাই প্রত্যাশা সাধারণ মানুষের।
পটিয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর জসীম উদ্দীন বলেন, বিগত সরকারের আমলে দলীয় কর্মকাণ্ড তো দূরের কথা, সামাজিক কাজ করতে গেলেও বাধার মুখে পড়তে হতো। জুলাই অভ্যুত্থানের পর আমরা স্বাভাবিক কার্যক্রমের পাশাপাশি মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিচ্ছি।
এ বিষয়ে জামায়াতের প্রার্থী ডা. ফরিদুল আলম বলেন, বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করতে চিকিৎসা ক্যাম্পের বিকল্প নেই। অন্য দলগুলো শুধু গণসংযোগ বা সভা করছে, কিন্তু আমরা বিনামূল্যে চিকিৎসার পাশাপাশি ভোটের কথা বলছি। মানুষের ব্যাপক উপস্থিতিতেই প্রমাণ হয় তারা জামায়াতে ইসলামীকে চায়। এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ভবিষ্যতে আরও নতুন প্রকল্প নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।