মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২

‘সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম ছিলেন সাহসের বাতিঘর’

| প্রকাশিতঃ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৯:৪৯ অপরাহ্ন

চট্টগ্রাম : নগর বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম ও হাজী বাবর মিয়া নির্লোভ ও নিরহংকারী মানুষ ছিলেন।

সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম তাঁর চিন্তা-চেতনা দিয়ে চট্টগ্রামের উন্নয়নে আজীবন কাজ করেছেন। দেশের বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে তার সাহসী ভূমিকা জাতি চিরদিন স্মরণ করবে। তিনি শুধু চট্টগ্রামের নেতা ছিলেন না, ছিলেন জাতীয় পর্যায়ের নেতা।

শুক্রবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে চট্টগ্রাম নগর বিএনপির উদ্যোগে নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে সাবেক হুইপ ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক আহবায়ক সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম এবং নগর বিএনপির উপদেষ্টা হাজী বাবর মিয়ার শোকসভায় সভাপতির বক্তব্যে ডা. শাহাদাত এসব কথা বলেন।

শাহাদাত বলেন, হাজী বাবর মিয়া নগর বিএনপির উপদেষ্টা ও ওমান বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনে দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। একজন কর্মনিষ্ঠ ও সজ্জন ব্যক্তি হিসেবে তিনি ছিলেন সর্বমহলে সমাদৃত। এ গুণী ব্যক্তিদ্বয়ের মৃত্যুতে যে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে তা সহজে পূরণ হবার নয়।

তিনি বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলন, ভোটাধিকার ও গনতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম ও হাজী বাবর মিয়ার স্বপ্নপূরণে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম বক্কর বলেন, সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম ও হাজী বাবর মিয়া ছিলেন অনুকরণীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী। দলের প্রতি তাদের আনুগত্য ও রাজনৈতিক দৃঢ়তা অপরিসীম। জীবদ্দশায় তারা সবসময় দেশের জন্য কাজ করেছেন। যারা দেশের জন্য ও সমাজের উন্নয়নে কাজ করে তারা যুগ যুগ ধরে তাদের কর্মের জন্য অবিস্মরণীয় হয়ে থাকেন। এই দুই গুণীজনও আমাদের মাঝে তাদের কর্মের মাধ্যমে বেঁচে থাকবেন।

নগর বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন, চট্টগ্রামের মাটি ও মানুষের নেতা ছিলেন সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম। একজন নেতার যে সমস্ত বৈশিষ্ট্য থাকা প্রয়োজন সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের মধ্যে সবই ছিলো। সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম ছিলেন সাহসের বাতিঘর। ১/১১ সময় প্রতিকূল অবস্থায়ও সাহসিকতার সাথে চট্টগ্রামে বিএনপির হাল ধরেছিলেন। হাজী বাবর মিয়া ব্যক্তিগত জীবনে ধার্মিক ও দানশীল ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন।

শোকসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নগর বিএনপি’র সহ সভাপতি আলহাজ্ব এম এ আজিজ, হারুন জামান, এস এম আবুল ফয়েজ, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক, এস এম সাইফুল আলম, যুগ্ম সম্পাদক কাজী বেলাল উদ্দিন, মো: শাহ আলম, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আব্দুল মান্নান, মনজুর আলম মঞ্জু, আনোয়ার হোসেন লিপু, গাজী মো: সিরাজ উল্লাহ, মো. শাহেদ বক্স প্রমুখ।

নগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলামের পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন নগর বিএনপির সম্পাদকবৃন্দ সিহাব উদ্দিন মুবিন, এড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, হামিদ হোসেন, হাজী নুরুল আক্তার, ডা. এস এম সারওয়ার আলম, আমিন মাহমুদ, দিদারুল আলম চৌধুরী, ইব্রাহীম বাচ্চু, হেলাল চৌধুরী, আবদুল নবী প্রিন্স, মহিলা দলের সভাপতি কাউন্সিলর মনোয়ারা বেগম মনি, থানা বিএনপির সভাপতি মনজুর রহমান চৌধুরী, মোশাররফ হোসেন দীপ্তি, কাউন্সিলর মো: আজম, সাইফুর রহমান বাবুল, নগর বিএনপির সহ সম্পাদকবৃন্দ আবদুল হালিম স্বপন, রফিকুল ইসলাম, মো: ইদ্রিস আলী, খোরশেদ আলম কুতুবী, মো: শাহজাহান, রেহান উদ্দিন প্রধান, ইসমাইল বাবুল, সফিক আহামদ, নকীব উদ্দিন ভূঁইয়া, ফয়েজুল ইসলাম, আবদুল হাই, থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ আলহাজ্ব জাকির হোসেন, আফতাবুর রহমান শাহীন, আবদুল কাদের জসিম, নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ এম রাশেদ খান, নগর মহিলা দলের সিনিয়র সহ সভাপতি ফাতেমা বাদশা, প্রয়াত বাবর মিয়ার সুযোগ্য সন্তান জিয়াউর রহমান বাবলা ও সাইফুর রহমান অভি, নগর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা, নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, নগর মহিলা শ্রমিক দলের সভাপতি শাহনেওয়াজ চৌধুরী মিনু, নগর তাঁতী দলের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, নগর বিএনপির সদস্য অ্যাডভোকেট এরফানুর রহমান, মো: ইলিয়াছ, রফিক সরদার, হামিদুর রহমান, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. সালাহ উদ্দিন, আবদুল্লাহ আল সগির, জমির আহমদ, মো: আজম উদ্দিন, ফারুক আহমদ, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান চৌধুরী, সাদেকুর রহমান রিপন, সাব্বির আহমদ, আনোয়ার হোসেন আনু, হাজী মো: এমরান, মনজুর মিয়া, নূর হোসেন নূরু প্রমুখ।

একুশে/প্রেসবিজ্ঞপ্তি