
একুশে ডেস্ক : চলতি মাসের ২৭ তারিখে ট্রাম্প-কিমের দ্বিতীয় বৈঠক ভিয়েতনামের হ্যানয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট এর আগে উত্তরের শীর্ষ নেতার সঙ্গে বৈঠকের তারিখ ও কোন দেশে বৈঠক হতে যাচ্ছে তা জানালেও, স্থানের নাম সুনির্দিষ্ট করে বলেননি। দুই নেতার আসন্ন শীর্ষ বৈঠকের আগে উত্তর কোরিয়া সফররত মার্কিন বিশেষ দূত স্টিফেন বিগেনের সঙ্গে পিয়ংইয়ংয়ের কর্তাব্যক্তিদের ‘ফলপ্রসূ আলোচনা’ বলেও দাবি করেছেন ট্রাম্প। খবর-সিএনএনের।
এক টুইট পোস্টে ট্রাম্প বলেন, আমি চেয়ারম্যান কিমের সঙ্গে দেখা করার ও শান্তি প্রচেষ্টা এগিয়ে নেয়ার প্রত্যাশায় আছি।
পরবর্তীতে তিনি বলেন, কিমের নেতৃত্বে উত্তর কোরিয়া একটি বড় উৎপাদন শক্তিতে পরিণত হবে। তিনি হয়তো কাউকে কাউকে বিস্মীত করছেন কিন্তু আমাকে না। কারণ আমি তাকে জানি এবং তিনি কতটা সক্ষম তা বুঝি। উত্তর কোরিয়ার ভিন্নধর্মী একটি রকেটের মালিক হবে- তা হচ্ছে অর্থনীতি।
খুবই ফলপ্রসূ বৈঠক এবং কিম জং উনের সঙ্গে দ্বিতীয় বৈঠকের সময় ও তারিখ নিয়ে সমঝোতা শেষে আমার প্রতিনিধিরা মাত্রই উত্তর কোরিয়া ছেড়েছেন। আমাদের বৈঠকটি ভিয়েতনামের হ্যানয়ে হতে যাচ্ছে।
বিগেনের পিয়ংইয়ং ছাড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও। উত্তর কোরিয়া বিষয়ক এ বিশেষ দূত বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত পিয়ংইয়ংয়ে উত্তরের প্রতিনিধি কিম হিয়োক চোলের সঙ্গে বৈঠক করেন।
৩ দিনের এ বৈঠকে তারা ট্রাম্প-কিম শীর্ষ সম্মেলনের প্রস্তুতি নিয়ে কথা বলার পাশাপাশি গত বছরের সিঙ্গাপুর বৈঠকে প্রতিশ্রুত পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ, যুক্তরাষ্ট্র-উত্তর কোরিয়া সম্পর্কের পরিবর্তন এবং কোরীয় উপদ্বীপে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার উপায় নিয়ে আলোচনা করেছেন। এতে কোনো অগ্রগতি হয়েছে কিনা তা খোলাসা করেনি মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
উত্তর কোরিয়া হ্যানয়কে পছন্দ করেছে, কারণ এখানে তাদের দূতাবাস রয়েছে। বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রের পছন্দ ছিল ড্যা ন্যাং। এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের শীর্ষ সম্মেলন এখানেই অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে জাতিসংঘের এক গোপন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি এখনো অটুট রয়েছে।
এছাড়া মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন বলছে, পরমাণু অস্ত্র ও তার উৎপাদন সক্ষমতায় ছাড় দেবে না উত্তর কোরিয়া।
একুশে/ডেস্ক/এসসি