বৃহৎ জনসংখ্যার দেশ চীন হতে পারে বাংলাদেশি পণ্যের অন্যতম বাজার। সেক্ষেত্রে পণ্যের বহুমুখীকরণ আর উৎপাদন খরচ কমানোর দিকে নজর দিতে হবে বাংলাদেশকে। এমনটাই মত দু’দেশের ব্যবসায়ীদের।
তবে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, চীনের মতো বাজারে প্রবেশ করতে হলে, দেশটির চাহিদা এবং কম খরচে পণ্য উৎপাদনের দিকে এগুতে হবে বাংলাদেশকে।
১৩০ কোটি জনসংখ্যার বৃহৎ দেশ চীন। তাই বর্তমান বিশ্বে দ্রুত বর্ধমান ভোক্তাবাজার হিসেবে ধরা হয় চীনকে। ধারণা করা হচ্ছে ২০২০ সালের মধ্যে চীনের ভোক্তা বাজার ২.০৩ ট্রিলিয়ন থেকে বেড়ে দাঁড়াবে ৬. ১৮ ট্রিলিয়ন ডলারে।
চীনের বৃহৎ এই ভোক্তাবাজারে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বাড়াতে প্রয়োজন পণ্যের বহুমুখীকরণ। এছাড়া চীনের শ্রমিকদের মজুরী বেড়ে যাওয়ায় কম খরচের পণ্য উৎপাদনের দিকে ঝুঁকছেন চীনের ব্যবসায়ীরা। কম খরচে পণ্য উৎপাদনে চীনা ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী।
চীনের বাজারে বেশিরভাগ পণ্যে শুল্ক সুবিধা পায় বাংলাদেশ। তাই কম খরচে পণ্য উৎপাদন করতে পারলেই চীনের মত বৃহৎ বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রবেশ আরও বাড়বে বলেই মনে করেন দেশিয় ব্যবসায়ীরা।
এ ক্ষেত্রে বর্তমানে যেসব পণ্য উৎপাদন থেকে চীন বের হয়ে আসছে সেদিকেই বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের নজর দেয়া জরুরী বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদ মোস্তাফিজুর রহমান।
চীনা রাষ্ট্রপতির বাংলাদেশ সফরে এরই মধ্যে দু দেশের ব্যবসায়ী পর্যায়ে ১৮ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক চুক্তি সই হয়েছে।