শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২

‘চক্ষু চিকিৎসকের তুলনায় অপটোমেট্রি নেই বললেই চলে’

| প্রকাশিতঃ ২০ জানুয়ারী ২০২০ | ৫:৩৮ অপরাহ্ন


চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ইমরান সেমিনার হলে ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন অপটোমেট্রি (বি.অপটম) কোর্সের ১১ তম ব্যাচের নবীনবরণ সোমবার সকালে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে ডা.এস.এম.মাসুদ পারভেজ বলেন, বিশ্বে অপটোমেট্রি বহুল প্রচলিত নাম হলেও আমাদের দেশে এটি একেবারে নতুন। সারা দেশে চক্ষু সেবার পরিধি বাড়ানোর লক্ষ্যে দক্ষ অপটোমেট্রিস্ট ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারে। একজন চিকিৎসকের সাথে চারজন অপটোমেট্রি থাকার কথা থাকলেও দেশে তার সংখ্যা একেবারে সীমিত। আমি আশা করবো এখান থেকে উন্নত শিক্ষার মাধ্যমে অপটোমেট্রিরা সারাদেশে এমনকি বহিবিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে অধ্যাপক ডা. খুরশীদ আলম বলেন, এদেশে যে পরিমাণ চক্ষু চিকিৎসক রয়েছে সেই তুলনায় অপটোমেট্রি নেই বললেই চলে। তিনি নবাগত শিক্ষার্থীদের পরিচিতির পাশাপাশি পেশাগত উৎকর্ষতা অর্জনের জন্য বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা দেন।

আইসিও’র অধ্যাপক ডা. মনিরুজ্জামান ওসমানী বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল দেশে চক্ষু চিকিৎসা সেবায় অপটোমেট্রিস্টদের ভূমিকা নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র্র ট্রাস্টের ম্যানেজিং ট্রাস্টি অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এখানে অপটোমেট্রি গ্রেজুয়েশন কোর্স শুরু হয়েছে ১১ বছর আগে। একমাত্র এই চক্ষু হাসপাতালে দেশের প্রথম কোর্সটি চালুর পর থেকে দিন দিন চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বলেন, পড়ালেখায় মনোযোগী হয়ে নিজেকে সুশিক্ষিত ও দক্ষ অপটোমেট্রিস্ট হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তাহলে দেশ ও জাতি উপকৃত হবে।

এর আগে হাসপাতালের ইনস্টিটিউট অব কমিউনিটি অফথালমোলোজি (আইসিও)’র উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠান শিক্ষার্থী খালিদ আল রাকিবের কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সূচনা হয়। আইসিও’র পরিচালক অধ্যাপক ডা. খুরশীদ আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন একাডেমিক কোডিনেটর ও আইসিও’র অধ্যাপক ডা. মনিরুজ্জামান ওসমানী।

অতিথি ছিলেন, চমেক হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ও চক্ষু বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা.এস.এম.মাসুদ পারভেজ, চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ট্রাস্টের জাহাঙ্গীর আলম খান, চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতালের মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. মো. কামরুল ইসলাম, সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. জেসমিন আহমেদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন আইসিও’র লেকচারার জুয়েল দাশ গুপ্ত।

উপস্থিত ছিলেন, হাসপাতালের জনসংযোগ কর্মকর্তা শহীদ ফারুকী, আইসি’র প্রসাশনিক ও হিসাব কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন, জুনিয়র অফিসার মো. সাইফুর রহমান, হাসপাতালের মিডিয়া স্পেশালিষ্ট বিশ্বজিৎ পালসহ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ। শিক্ষার্থী রেহনুমা তারানুমের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন অপটোমেট্রি কোর্সের নবীণ ৩০ জন শিক্ষার্থীকে বরণের পাশাপাশি ২০১৮-২০১৯ শিক্ষা বর্ষে ১ম, ২য় ও ৩য় বর্ষের সমাপনী পরিক্ষায় মেধার স্বাক্ষর ১১ জন ছাত্র-ছাত্রীকে বৃত্তি ও শিক্ষা সনদ প্রদান করা হয়। অতিথিবৃন্দ তাদের হাতে বৃত্তির অর্থ ও সনদ তুলে দেন।