শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০, ৯ কার্তিক ১৪২৭

সুসজ্জিত পতেঙ্গা সৈকত, তবু বিড়ম্বনায় পর্যটকরা

প্রকাশিতঃ শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০, ৮:৪৯ অপরাহ্ণ


জোবায়েদ ইবনে শাহাদত : কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের পর পর্যটকদের পছন্দ চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত। এক সময় পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতটি অবহেলিত থাকলেও বর্তমানে এর সাজ নজর কেড়েছে পর্যটকসহ দর্শনার্থীদের। তবে বিশ্বমাতানো করোনাভাইরাসের তাণ্ডবে দর্শনার্থীদের পদচারণা কম থাকলেও বর্তমানে দর্শনাথীদের পদচারণায় প্রাণ ফিরে পাচ্ছে সৈকতগুলো।

পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত দিনভর হাসি, গান আর আনন্দে মাতিয়ে তুলছেন দর্শনার্থীরা। কেউ বা সাগরের প্রান্তে লোনা পানির ধারে হেঁটে বেড়াচ্ছেন হাত ধরাধরি করে। আবার পতেঙ্গার আশপাশে বসবাসকারীরা খেলছেn ফুটবল। চলছে সমুদ্রের বুকচিরে পাল্লা দিয়ে স্পীডবোট। বাদ পড়ে না ক্যামেরায় ফ্রেমবন্দী হওয়া। সঙ্গী হিসেবে প্যান্টে পকেটভর্তি রমিজ উল্লার বাদাম। সবশেষে ফেরার সময় শুরু হয় আচার-শামুকের মালা কেনার বায়না।

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) উদ্যাগে তৈরি করা হয়েছে সমুদ্রতীরে হাঁটার জন্য সাড়ে পাঁচ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে, তীর ঘেঁষে ফুলের বাগান, রঙ-বেরঙের পাথর। রয়েছে শিশুদের জন্য বিভিন্ন রাইডের ব্যবস্থা। সমুদ্র সৈকতের এমন পরিবর্তন দেখতে প্রতিদিনই দূর-দূরান্ত থেকে পরিবার পরিজন নিয়ে আসেন এখানে। বিশেষ করে শুক্রবার বন্ধের দিন থাকায় এখানে পর্যটকদের ভিড় থাকে একটু বেশি। কিন্ত তবুও যেন স্বস্তি নেই তাদের মনে। কিছু একটা অসঙ্গতি যেন রয়েই গেছে।

সমুদ্র সৈকতের সৌন্দর্যবর্ধন থেকে শুরু করে সাজসজ্জা ঠিকঠাক থাকলেও রয়েছে অনেক অসঙ্গতি। সৈকতে ঘুরতে আসা পর্যটকদের প্রথমে গাড়ি পার্কিং করতে পড়তে হয় বিড়ম্বনায়। এছাড়া পর্যটকদের বিশ্রামের জন্য রাখা হয়নি তেমন কোনো সুবিধা। কোনো ছাউনি না থাকায় রোদে পুড়ে আর বৃষ্টিতে ভিজে নাজেহাল হতে হয় ঘুরতে আসা পর্যটকদের। বৃষ্টি হলে সৈকত ছেড়ে স্থানীয় দোকান বা পুলিশবক্সে আশ্রয় নিতে হয় তাদের। যারা কোনো আশ্রয় পান না, তারা ভিজেই সমুদ্র সৈকত ত্যাগ করেন।


শুধু তাই নয়, পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসলে মায়েদের পড়তে হয় চরম দূর্ভোগে। শিশুদের দুধ খাওয়ানোর জন্য নেই কোনো ফিডিং জোন। এছাড়াও এতো দীর্ঘ সমুদ্রের সৈকতে পর্যটকদের জন্য নেই কোনো শৌচাগার। নিরুপায় হয়ে পুরুষ পর্যটকরা স্থানীয় দোকানের শৌচাগারে ভিড় জমালেও নারীদের জন্য নেই কোনো ব্যবস্থা। ইভটিজিং ও ছিনতাইয়ের মত ঘটনার কারণে প্রশ্নবিদ্ধ হয় বিচে ঘুরতে আসা পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়টিও।

এরই সাথে রয়েছে পতিতাবৃত্তি ও উন্মুক্ত মাদকদ্রব্য বেচাকেনার সমস্যাও। এদিকে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতের ভাসমান দোকানের খাবারের মান নিয়েও রয়েছে অভিযোগ। গত বছরের ১৯ এপ্রিল সমুদ্র সৈকতের ভ্রাম্যমাণ দোকানের কাঁকড়া ভাজা খেয়ে মৃত্যু হয়েছিল এক যুবকের।

সাগরে ভাটার সময় জেগে উঠা চরে কয়েক ঘণ্টার জন্য শৃঙ্খলিত উপায়ে, সুলভে ছাতাযুক্ত বসার ব্যবস্থা করা যায় অনায়াসে। কিন্তু সেটি তেমন নিয়ন্ত্রণ ও শৃংংখলায় না থাকায় কেউ কেউ সেখানে ছাতাযুক্ত বসার ব্যবস্থা করে পর্যটকদের কাছ থেকে বাড়তি টাকা নিচ্ছে। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পরিপাটিভাবে বসার সুযোগ করে দেওয়ার বিনিময়ে যেখানে ঘণ্টাপ্রতি ৩০ টাকা নেওয়া হয়, সেখানে পতেঙ্গা বিচে আদায় করা হয় ৫০ টাকা, সুযোগ বুঝে তারও বেশি।

এধরনের একজনের নাম আবু বকর। অভিযোগ রয়েছে, তার পাঁতানো ছাতায় বসার পর ঘণ্টাপ্রতি ৫০-৬০ টাকা আদায় করেই ছাড়ছে। বসার ব্যবস্থাটাও পুরোনা কাঠের জোড়াতালি দেওয়া, নড়ভড়ে। এসব বিষয়ে কোনো পর্যটক প্রতিবাদ করলে উল্টো তাকে হতে হয় নাজেহাল।

অবশ্য সম্প্রতি এক দম্পতির সাথে এ বিষয়ে মারমুখী আচরণ ও দুর্ব্যবহারের খবর পেয়ে পতেঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও পতেঙ্গা বিচ পুলিশিং কমিটির নেতৃবৃন্দ আবু বকরের ঠগবাজ ছাতার ব্যবসা গুঁড়িয়ে দেয় এবং তাকে ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করে দেয়।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে গিয়ে এমন অনেক অসঙ্গতি দৃশ্যমান হয় একুশে পত্রিকা প্রতিবেদকের।

অসঙ্গতির কথা জানিয়ে পরিবার নিয়ে সৈকতে ঘুরতে আসা এনামুল হাকিম একুশে পত্রিকাকে বলেন, ‘একটু প্রশান্তির খোঁজে পরিবার নিয়ে এই বিচে ঘুরতে এসেছি। দেখতে দৃষ্টিনন্দন এই বিচ আমাদের মুগ্ধ করলেও বেশ কিছু সমস্যায় পড়তে হয়েছে আমাদের। কোনো শৌচাগার না থাকায় বাচ্চাদের নিয়ে বিপাকে পড়ে গিয়েছিলাম, পরে একটা মার্কেটের দোকানের শৌচাগার ব্যবহার করতে হয়েছে। শৌচাগার সংকটের কারণে এখানেও ছিল প্রচুর ভিড়। বিশ্রাম ও আশ্রয়ের জন্য কোনো ছাউনি না থাকায় আমাদের সবাইকে বৃষ্টিতে ভিজতে হয়েছে। পরে পুলিশবক্সে ঢুকে আশ্রয় নিয়েছি। আমার মনে হয় কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্টদের এই বিষয়গুলোতে আরো জোর দেয়া উচিত।’

জানা গেছে, সমস্যার সমাধান ও পর্যটকদের সুবিধা নিশ্চিত করতে রাখা হয়েছে কমিউনিটি পুলিশিং কমিটি। এই কমিটির মাধ্যমে সমুদ্র সৈকতের উন্নয়ন, বিভিন্ন সমস্যার সমাধান ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করে আসছেন সংশ্লিষ্টরা। কমিউনিটি পুলিশিং-এর উদ্যোগে সমুদ্র সৈকতে ২৯টি সিসি ক্যামেরা লাগানো হচ্ছে। পতেঙ্গা থানা পুলিশের পাশাপাশি কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সদস্যরা নিয়মিত সমুদ্র সৈকতে টহল দিতে থাকেন পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে।

পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে তিন মাসের শিশু আফনানকে নিয়ে ঘুরতে আসা ব্যাংক কর্মকতা সাবরিনা আক্তার একুশে পত্রিকাকে বলেন, ‘পর্যটক মুখরিত এমন একটা পর্যটনকেন্দ্রে কোনো চাইল্ড ফিডিং জোন নেই। বাচ্চাকে খাওয়াতে পারছি না বেশ কয়েক ঘণ্টা ধরে। কর্তৃপক্ষকে বুঝতে হবে পর্যটনকেন্দ্রে নানা বয়স, শ্রেণিপেশার মানুষ ঘুরতে আসবে। তাদের সকলের সুবিধা নিশ্চিত করার কথা তাদের মাথায় রাখতে হবে।

তার অভিযোগ, ‘ভাসমান দোকানের খাবারগুলোও তেমন মানসম্মত নয়। আমার মনে হয় কর্তৃপক্ষ যদি পর্যটকদের সাথে কথা বলে তাদের মতামত নিতো তাহলে আমাদের এই সমস্যাগুলো সম্পর্কে জানতে পারতো। শুধুমাত্র সৌন্দর্যবর্ধন করলেই তো হবে না, পর্যটকদের সুযোগ সুবিধার বিষয়গুলোও নিশ্চিত করতে হবে।’ সবকিছু মিলে সমুদ্র সৈকত বদলালেও এখনও পর্যটকবান্ধব হয়ে উঠেনি জানান তিনি।

কমিউনিটি পুলিশিং কমিটি সমুদ্র সৈকতের বেশ কিছু উন্নয়ন ও সমস্যা সমাধানের কথা জানালেও এর সাথে দ্বিমত পোষণ করে ৪১ নম্বর পতেঙ্গা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পতেঙ্গা ব্যবসায়ী সমিতির সদস্য মো. সেলিম একুশে পত্রিকাকে বলেন, ‘পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে আসা পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়ে এখনও প্রশ্ন থেকে গেছে। গত কয়েকদিন আগেও একজন পর্যটকের মোবাইল ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া কমিউনিটি পুলিশিং নিজের দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করছে না। পর্যটকদের মতামতের ভিত্তিতে, তাদের চাহিদা অনুযায়ী যে সকল পরিবর্তন আনা প্রয়োজন তার কিছুই করেনি এই কমিটি। মাদকদ্রব্য বেচাকেনা ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম প্রতিনিয়ত হলেও এর বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কমিউনিটি পুলিশিংয়ের কাজ তো শুধু বিচ থেকে হকার উচ্ছেদ করা নয়। পর্যটকদের সুযোগসুবিধা নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি তাদের আরো জোড়ালো ভূমিকা পালন করা উচিত।’

এ বিষয়ে পতেঙ্গা বোট মালিক সমিতির সভাপতি ও কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সেক্রেটারি মো. মুছা একুশে পত্রিকাকে বলেন, ‘সৈকতে ঘুরতে আসা পর্যটকদের সুযোগ-সুবিধা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে যাচ্ছি। ইভটিজিং ও ছিনতাই রোধে আমাদের কমিউনিটি পুলিশিং টিম প্রতিনিয়ত সৈকতে টহল দিয়ে আসছে। শুধু তাই নয়, পতেঙ্গা থানার সাথে সমন্বয় করে পুরো সৈকতে আমরা ২৯ টি সিসি ক্যামেরা লাগাচ্ছি, যা আগামি সপ্তাহে সম্পন্ন হবে। পর্যটকদের গাড়ি পার্কিং-এর জন্য নির্দিষ্ট কোনো স্থান নেই। তবে ব্যক্তিগত মালিকানায় একটি জায়গায় গাড়ি পার্কিং করার ব্যবস্থা আছে। এছাড়া বিশ্রামের জন্য ছাউনি এবং চাইল্ড ফিডিং জোনের অপ্রতুলতার বিষয়টি আমরা সিডিএকে অবগত করেছি। তবে এতো পর্যটকদের জন্য নির্দিষ্ট কোনো শৌচাগার না থাকার বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। যেহেতু পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতের উন্নয়নের বেশ কিছু কাজ এখনও বাকি আছে। তাই আশা করছি সিডিএ পর্যটকদের কথা মাথায় রেখে এই বিষয়ে একটি ব্যবস্থা নিবে।’

তার দাবি, ‘আগে বোটগুলোর মধ্যে কোনো নিয়মশৃঙ্খলা ছিল না। অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ারও অভিযোগ পেতাম পর্যটকদের কাছে থেকে। কিন্তু প্রতি রাইডে জনপ্রতি ৫০ টাকা করে নেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এখন নির্দিষ্ট টিকেট কাউন্টার বসানো হয়েছে। আমরা শৃঙ্খলার মাধ্যমে সব বোট পরিচালনা করছি।’

সমুদ্র সৈকতেকে পর্যটকবান্ধব করতে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন জানিয়ে কমিউনিটি পুলিশিং সভাপতি ওয়াহিদ চৌধুরী একুশে পত্রিকাকে বলেন, ‘পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, সৈকতে নিয়মিত টহল দেওয়া, ভাসমান দোকান উচ্ছেদসহ বেশ কিছু কাজ আমরা করছি। পর্যটকদের শৌচাগারের অপ্রতুলতা ও বিশ্রামের জন্য ছাউনি না থাকা এবং গাড়ি পার্কিং-এর স্থান না থাকায় পর্যটকদের অসুবিধার বিষয়টি নিয়ে সিডিএ’র সাথে বেশ কয়েকবার কথাও বলেছি। যেহেতু সিডিএ’র আওতায় সৈকতের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চলমান, এই বিষয়গুলোও সেখানে সংযুক্ত করার কথা তারা আমাদের জানিয়েছে। তবে আমরা দ্রুত এই কাজগুলো সম্পন্ন করার জন্য তাদের অনুরোধ করেছি।’

এদিকে, সমুদ্র সৈকতের হকারদের পুনর্বাসনের কথা উল্লেখ করে পতেঙ্গা হকার মালিক সমিতির সহ সভাপতি মো. তাজুল ইসলাম একুশে পত্রিকাকে বলেন, ‘সৈকতের সৌন্দর্যবর্ধন থেকে শুরু করে পর্যটকদের নিরাপত্তা সবকিছুই নিশ্চিত করা হলেও হকারদের পুনর্বাসনের কোনো ব্যবস্থা এতো বছরেও নেওয়া হয়নি। যার কারণে এই সৈকতের উপর নির্ভরশীল শত শত হকারদের জীবিকা নির্বাহের ক্ষেত্রে প্রচুর সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা সিডিএ ও কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সকল কার্যক্রমের সাথে আছি। তারা যে কোনো প্রয়োজনে আমাদের সহায়তা পাবে, তবে কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্টদের কাছে অনুরোধ থাকবে হকারদের পুনর্বাসনের বিষয়ে যেন একটা ফলপ্রসূ সমাধান দেয়া হয়।’

পতেঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জুবায়ের সৈয়দ একুশে পত্রিকাকে বলেন, ‘আইন অনুযায়ী পর্যটনকেন্দ্র ও পর্যটকদের নিরাপত্তা বিধানের বিষয়টি আমাদের প্রধান দায়িত্ব। কাঠামোগত উন্নয়নের বিষয়টা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দেখে। তবে বিট পুলিশ কার্যক্রমকে গতিশীল করতে থানা পুলিশের পাশাপাশি কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির মাধ্যমে সৈকত পরিদর্শন ও টহলের ব্যবস্থা রেখেছি। নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা ও সচেতনতা বৃদ্ধি করতে নিয়মিত মাইকিং করে আসছি।’

তিনি বলেন, ‘সমুদ্র সৈকতকে সম্পূর্ণ নিরাপদ রাখতে ২৯টি সিসি ক্যামেরা স্থাপনের ব্যবস্থা করেছি, যার দায়িত্ব কমিউনিটি পুলিশিংকে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও সৈকতের ফটোগ্রাফারদের শৃঙ্খলায় আনার জন্য তাদের রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনা হয়েছে। আগে ছিনতাই ও মাদকের যে অভিযোগ পাওয়া যেতো সেগুলো এখন আর নেই বললেই চলে। আমাদের এই কার্যক্রমগুলো ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’

ছবি : আনিসুজ্জামান দুলাল