বুধবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২২, ১৩ মাঘ ১৪২৮

চট্টগ্রামে বিতর্কিতদের হাতেও অস্ত্রের লাইসেন্স

প্রকাশিতঃ রবিবার, আগস্ট ২২, ২০২১, ১:০৫ অপরাহ্ণ

শরীফুল রুকন : পুলিশের সিডিএমএস বা ক্রাইম ডাটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর আওয়ামী লীগ নেতা মনসুর আলম পাপ্পীর পরিচয়, তিনি চোর। তার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগে দুটি মামলা হয়েছিল। কর্ণফুলী ও হালদা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ব্যবসাকে কেন্দ্র করে একাধিক খুন-সন্ত্রাসে জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এরপরও ২০১৪ ও ২০১৫ সালে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন থেকে পিস্তল ও রাইফেলের লাইসেন্স পান তিনি। তার কাছে অস্ত্র থাকায় আতঙ্কিত ওই এলাকার মানুষ।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ১৫ মে এনপিবি পিস্তল বা রিভলবারের লাইসেন্স পেয়েছেন মনসুর আলম পাপ্পী। এরপর ২০১৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ২২ বোরের রাইফেল কেনার লাইসেন্স পেয়েছেন তিনি। অথচ প্রথমবারের মতো অস্ত্রের লাইসেন্স পাওয়ার তিন বছর আগেও (২০১১ সালের ১৬ অক্টোবর) রাজধানীর নিউমার্কেট থানায় পাপ্পীর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগে মামলা হয়েছিল। এর আগে ২০০৫ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী থানায়ও পাপ্পীর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগে মামলা হয়। শুধু চুরি নয়, খুনের অভিযোগও আছে তার বিরুদ্ধে।

২০০৯ সালে শীর্ষ সন্ত্রাসী আজিম উদ্দিন মাহমুদকে অপহরণের পর লাশ গুম করা হয় বলে নগরের খুলশী থানায় মামলা হয়। উক্ত মামলায় মনসুর আলম পাপ্পী ও তার ভাই মো. আলম ববিসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়। এছাড়া বোয়ালখালীতে সাইফুল মেম্বার হত্যা, কামাল মেম্বার হত্যা ও স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা আবদুল হাকিম হত্যার ঘটনায়ও জড়িত থাকার অভিযোগ উঠে মনসুর আলম পাপ্পীর বিরুদ্ধে।

অস্ত্রের লাইসেন্সের বিষয়ে জানতে পাপ্পীর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া গেছে। তবে ২০১৯ সালের ৫ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে পাপ্পী জানান, ‘রাজধানীর নিউমার্কেট থানায় হওয়া চুরির মামলা থেকে তিনি খালাস পেয়েছেন। বোয়ালখালী থানায় চুরির মামলা সম্পর্কে কিছু জানেন না। আজিম হত্যা মামলা থেকেও খালাস পেয়েছেন। সেদিন মনসুর আলম পাপ্পী বলেন, ‘ মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে আমি যখনই অবগত হয়েছি আদালতকে সম্মান করে জামিন নিয়েছি। পরবর্তীতে আইন অনুযায়ী আমি খালাস পেয়েছি। বিচারাধীন কোনও মামলা আমার বিরুদ্ধে এখন নেই।’

এদিকে অস্ত্রের লাইসেন্স নিয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য ও নগরের ১৪ নম্বর লালখান বাজার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আবুল হাসনাত মো. বেলাল। ২০১১ সালের ১৩ নভেম্বর চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন থেকে ১২ বোরের শটগানের লাইসেন্স পেয়েছেন তিনি; লাইসেন্স নাম্বার ২০/খুলশী। অথচ বেলালের বিরুদ্ধে কিশোর গ্যাংয়ের পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগ রয়েছে। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ কিশোর অপরাধী চক্রের (কিশোর গ্যাং) ৪৮ জন পৃষ্ঠপোষক বা নেতার তালিকা করে। তাদের মধ্যে বেলালের নাম রয়েছে। এছাড়া ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে কলেজছাত্র দিদার হত্যা মামলার আসামি ছিলেন কাউন্সিলর বেলাল।

এ বিষয়ে কাউন্সিলর আবুল হাসনাত মো. বেলাল একুশে পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি বিশেষ বিবেচনায় অস্ত্রের লাইসেন্স পাইনি। ২০০৬ সাল থেকে নিয়মিত করদাতা। সেই হিসেবেই অস্ত্রের লাইসেন্স পেয়েছি।’ কিশোর গ্যাংয়ের পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগও অসত্য বলে দাবি করেন তিনি।

শুধু মনসুর আলম পাপ্পী বা আবুল হাসনাত মো. বেলালই নন; চট্টগ্রামে অস্ত্রের লাইসেন্স পেয়েছেন অনেক বিতর্কিত ব্যক্তি। লাইসেন্স করা অস্ত্র ঠিক মতো মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা না থাকায় কিছু অস্ত্র ব্যবহার হচ্ছে অবৈধ কাজে। আর বিতর্কিত ব্যক্তিদের কাছে অস্ত্র থাকায় সাধারণ মানুষ রয়েছেন আতঙ্কে।

অস্ত্রের লাইসেন্স পেয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের সদ্য বিলুপ্ত আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সালেহ আহমেদ দীঘল। তার বিরুদ্ধে হালিশহরের আবাহনী ক্লাবে জুয়ার আসর বসানোর পাশাপাশি নানা অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ আছে। ২০১৪ সালের ২৮ মার্চ মারামারির ঘটনায় তাকে গ্রেপ্তার করে হালিশহর থানা পুলিশ। দীঘলের কাছে অস্ত্র থাকায় আতঙ্কিত হালিশহরের মানুষ। স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা তথ্য দিয়েছেন, দীঘলের লাইসেন্স করা অস্ত্র নিয়ে তার ভাগিনা তাজিমও ঘুরে বেড়ায়। এ বিষয়ে জানতে দীঘলের বাংলালিংক নাম্বারটিতে বেশ কয়েকবার ফোন করলেও সাড়া পাওয়া যায়নি।

জানতে চাইলে হালিশহর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম একুশে পত্রিকাকে বলেন, ‘সালেহ আহমদ দীঘলের নামে অস্ত্রের লাইসেন্স আছে। তবে বৈধ অস্ত্রটির অবৈধ ব্যবহারের বিষয়ে কেউ অভিযোগ করেনি।’

জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে যাদেরকে অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে, সেই তালিকা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, লাইসেন্সপ্রাপ্তদের একটি বড় অংশ সরকারি কর্মকর্তা। অন্যদের বেশিরভাগই আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা। কয়েকজন আছেন ব্যবসায়ী।

আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসির ছেলে মজিবুর রহমান ২০১৪ সালের ২৩ জুলাই জেলা প্রশাসন থেকে ২২ বোরের রাইফেলের লাইসেন্স পেয়েছেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় চাঁদাবাজি ও জমি দখলের অভিযোগ গণমাধ্যমে এসেছে। সর্বশেষ মজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ তুলে গত ২৯ এপ্রিল চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন হয়েছে। এছাড়া জালিয়াতির মাধ্যমে ২২টি গ্যাস সংযোগ নেওয়ার ঘটনায় সম্প্রতি দুদকের দায়ের করা মামলায় মজিবুর রহমানকে আসামি করা হয়েছে।

সাবেক মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসির পরিবারে অন্তত পাঁচটি অস্ত্রের লাইসেন্স থাকার তথ্য মিলেছে। এর মধ্যে দুটি নুরুল ইসলাম বিএসসির স্ত্রী সানোয়ারা বেগমের নামে। ২০০১ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি শটগানের ও একই বছরের ২৯ এপ্রিল ২২ বোরের এনপিবি রিভলবারের লাইসেন্স পেয়েছেন সানোয়ারা বেগম। বৃদ্ধ এ নারীর হাতে একসঙ্গে পিস্তল ও শটগানের লাইসেন্স তুলে দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কেননা যাকে লাইসেন্স দেওয়া হয়, তাকেই অস্ত্র ব্যবহার করতে হয়, দেহরক্ষী ব্যবহার করতে পারেন না।

এছাড়া নুরুল ইসলাম বিএসসির ছেলে জাহেদুল ইসলাম ২০১৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ৩২ বোরের পিস্তলের লাইসেন্স পেয়েছেন। নুরুল ইসলাম বিএসসির আরেক ছেলে সাইফুল ইসলাম ২০০১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি শটগানের লাইসেন্স নিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে।

সন্দ্বীপের সাবেক পৌর মেয়র জাফর উল্লা ওরফে টিটু ২০১৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি শটগানের লাইসেন্স পেয়েছেন জেলা প্রশাসন থেকে। তিনি এক সময় জলদস্যু বাহিনীর (টিটু বাহিনী) প্রধান ছিলেন বলে অভিযোগ আছে। র‌্যাবের হাতে নিহত জলদস্যু সম্রাট বাসার মাঝি ছিলেন টিটুর নৌকার মাঝি। অভিযোগ আছে, সন্দ্বীপের অনেক বন্দির মুক্তি ও মুক্তিপণ লেনদেনের মধ্যস্থতা করেন সাবেক পৌরমেয়র। এছাড়া সাবেক মেয়র ও তার ভাই আকতার হোসেন বাবুর বিরুদ্ধেও আছে আলমগীর পাহলবীকে প্রকাশ্য দিবালোকে গুলি করে খুন করার অভিযোগ।

যুবলীগ নেতা ঝুট আলম ওরফে আলমগীর আলমের লাইসেন্স পাওয়া অস্ত্রের ব্যবহার নিয়েও বিতর্কের কমতি নেই। মধ্যরাতে মেহেদীবাগ এলাকায় এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়া ও গায়ে হলুদ অনুষ্ঠান অস্ত্র উচিয়ে নাচ করার ছবি ভাইরাল হয় সাম্প্রতিক সময়গুলোতে। এসব কাণ্ডে তার অস্ত্রের লাইসেন্স প্রাপ্তি ও ব্যবহার নিয়ে যেমন আছে প্রশ্ন, তেমনি সাধারণ জনগণের মাঝে তৈরি হয় ভীতি।

২০১৪ সালের ৭ আগস্ট ৩২ বোরের এনপিবি পিস্তলের লাইসেন্স পেয়েছেন সীতাকুণ্ড উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম আল মামুন। তার বিরুদ্ধে ২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে উপকূলীয় বন বিভাগ একটি মামলা দায়ের করে। এদিকে নানা ইস্যুতে গণমাধ্যমে আলোচনায় থাকা ২০১৫ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর ১২ বোরের শটগানের লাইসেন্স নিয়েছেন পটিয়া আসনের সংসদ সদস্য ও হুইপ শামসুল হক চৌধুরীর ছেলে নাজমুল করিম চৌধুরী শারুন।

জেলা প্রশাসনের আগ্নেয়াস্ত্র শাখা থেকে অস্ত্রের লাইসেন্সের আবেদন-সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এ শাখার সহকারী কমিশনার ফাহমিদা আফরোজ জানান, লাইসেন্সের আবেদনকারীকে অবশ্যই আয়কর দাতা হতে হবে, বছরে ন্যূনতম দুই লক্ষ টাকা আয়কর প্রদান করতে হবে। লাইসেন্সের জন্য প্রথমে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর আবেদন করতে হয়। এরপর শুনানি হয়। শুনানি ও যাচাই-বাছাই করে সন্তুষ্ট হলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট একনলা বন্দুক ও শটগানের লাইসেন্স দিতে পারেন। পিস্তলের লাইসেন্স স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি সাপেক্ষে দেওয়া হয়। অনুমতি পেলে আবেদনকারী অস্ত্র আমদানি করে আনতে পারেন, অথবা দেশীয় বৈধ কোনও ডিলারের কাছ থেকে অস্ত্র কিনতে পারবেন। কোনও ব্যক্তি সর্বোচ্চ দুইটি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

এদিকে তালিকায় দেখা গেছে, আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের বেশিরভাগ নেতাই অস্ত্রের লাইসেন্স নিয়েছেন। সংসদ সদস্য, কাউন্সিলর ও তাদের আত্মীয়রাও অস্ত্রের লাইসেন্স নিয়েছেন। এসব অস্ত্র এখন কী কাজে ব্যবহার হচ্ছে তার সঠিক তথ্য পাওয়াও কঠিন।

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির পাইন্দং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এ কে এম সারোয়ার হোসেন স্বপন ২০১৪ সালের ২১ জুলাই দুনলা বন্দুকের লাইসেন্স পেয়েছেন জেলা প্রশাসন থেকে। তার বিরুদ্ধে ২০১৬ সালে চকবাজার থানায় চেক চুরির মামলা হয়েছিল, ওই মামলায় ২০১৭ সালের ২ জানুয়ারি তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় আদালত। এছাড়া ধারালো অস্ত্র নিয়ে জখম ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে আকবর শাহ থানায় দায়েরকৃত একটি মামলায় ২০১৯ সালের ২৮ অক্টোবর এ কে এম সারোয়ার হোসেন স্বপনকে কারাগারে পাঠায় আদালত। এছাড়াও চেয়ারম্যান সরোয়ার হোসেন স্বপন চেক জালিয়াতির মামলার আসামি হওয়া ছাড়াও পাহাড় কাটার অভিযোগে পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক দণ্ডিত হয়েছেন।

এ ব্যাপারে সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) চট্টগ্রামের সম্পাদক অ্যাডভোকেট আখতার কবীর চৌধুরী একুশে পত্রিকাকে বলেন, ‘আইন অনুযায়ী, আবেদনকারীর জীবনের বাস্তব ঝুঁকি থাকলে, অর্থাৎ কেবলমাত্র আত্মরক্ষার ব্যাপার থাকলে তিনি অস্ত্রের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবেন। কিন্তু এখন আমরা অনেক ক্ষেত্রে দেখি, আবেদনকারীর জীবনের ঝুঁকি দূরে থাক, তিনি আরও অন্যের জীবনের ঝুঁকি তৈরি করছেন। আগে অর্থ-সম্পদ রক্ষার জন্য মানুষকে অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হতো। তবে আজকাল রাজনৈতিক বিবেচনায় লাইসেন্স দেওয়ায় অস্ত্র অনেক সময় দুর্বৃত্তদের হাতে চলে যাচ্ছে। আর সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা না থাকায় দেখা যায়, অস্ত্রগুলো অবৈধ কাজে ব্যবহার হচ্ছে।’

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (দক্ষিণ) বিজয় বসাক একুশে পত্রিকাকে বলেন, ‘অস্ত্রের লাইসেন্স নিতে আবেদনকারী সম্পর্কে পুলিশের বিশেষ শাখা বা থানা থেকে তথ্য দেওয়া হয়। ব্যবহারকারীর বিরুদ্ধে কোনো মামলা আছে কিনা, অস্ত্র কী কাজে ব্যবহার হতে পারে- এ ধরনের তথ্য সংগ্রহ করে জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠানো হয়। লাইসেন্স দেওয়া-না দেওয়া জেলা প্রশাসনের এখতিয়ার।’

জানতে চাইলে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান একুশে পত্রিকাকে বলেন, অস্ত্রের লাইসেন্স আগে কারা পেয়েছেন আমি জানি না, তবে আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে বিতর্কিত কাউকে লাইসেন্স দেওয়া হচ্ছে না। অপরাধের সঙ্গে জড়িত কেউ আগে লাইসেন্স পেয়েছে কিনা খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেব। মামলার আসামিদের হাতে থাকা অস্ত্রের লাইসেন্স অবশ্যই বাতিল করা হবে। এক্ষেত্রে তথ্য দিয়ে সহযোগিতার জন্য অনুরোধ জানান জেলা প্রশাসক।