সোমবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২১, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৮

রেকর্ড জয়ে সুপার টুয়েলভে বাংলাদেশ

প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২১, ২০২১, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ


খেলাধুলা ডেস্ক : আল আমিরাতে অবস্থিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথমপর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে নবাগত পাপুয়া নিউগিনিকে ৮৪ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে সুপার টুয়েলভে জায়গা করে নিল বাংলাদেশ দল। এদিন ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৮১ রান সংগ্রহ করে টাইগাররা। জবাবে খেলতে নেমে সাকিব-তাসকিনদের বোলিং তোপে মাত্র ৯৭ রানেই গুটিয়ে যায় পিএনজি।

এর আগে টি-টোয়েন্টিতে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ৭১ রানের ব্যবধানে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। তবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে রেকর্ড সর্বোচ্চ ১৭২ রানের বিশাল ব্যাবধানে জয় পায় শ্রীলংকা।

বাংলাদেশের দেয়া পাহাড় সমান রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে প্রথম দুই ওভার দেখে-শোনে খেললেও তৃতীয় ওভারে সাইফউদ্দিনের করা বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন নিউগিনির ওপেনার লেগা সিয়াকা। আউট হওয়ার আগে করেন ৫ রান। পরের ওভারে তাসকিনের করা বলে কটবিহাইন্ড হন পিএনজির অধিনায়ক আসাদ ভালা। তিনি করেছেন ৬ রান।

পঞ্চম ওভার করতে আসেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। ওই ওভারের প্রথম এবং চতুর্থ বলে আরও দুটি উইকেট তুলে নেন সাকিব। ১ রানে চার্লস আমিনি এবং শূন্যরানে ফেরেন সিমোন আতাই।

নিজের করা তৃতীয় ওভারে নিজের তৃতীয় উইকেট তুলে নেন সাকিব। ৫ রানে ফেরান সেসে বাউকে। এর পরের ওভারে ম্যাচে প্রথম উইকেট তুলে নেন শেখ মেহেদি হাসান। তার বলে আউট হওয়ার আগে কোনো রানই তুলকে পারেননি নরমান হানুয়া।

বিশ্বকাপের মূলপর্বে ওঠার লক্ষ্যে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ দল। কিন্তু ব্যাট হাতে শুরুটা ভালো হয়নি টাইগারদের। ইনিংসের প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলেই কাবুয়া মোরেয়ার বলে ক্যাচ আউট হয়ে সাজঘরে ফিরেছেন ওপেনার নাঈম শেখ। পরে ২৩ বলে ১টি করে চার-ছয়ে ২৯ রান করে ফেরেন লিটন।

তৃতীয় উইকেটে ব্যাট হাতে খেলতে নামেন বাংলাদেশের উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম। কিন্তু ক্রিজে থাকতে পারেননি বেশিক্ষণ তিনি। মাত্র ৫ রান তুলে ফেরেন প্যাভিলিয়নে।

পঞ্চম উইকেট জুটিতে দুই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার সাকিব এবং মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ দলীয় স্কোরটা আরও বাড়িয়ে নিতে থাকেন। এ সময় ব্যক্তিগত অর্ধশতকের দিকেই এগাচ্ছিলেন সাকিব। কিন্তু ৩৭ বলে ৪৬ রান তুলে আসাদ ভালার বলে চার্লস আমিনির হাতে ক্যাচ তুলে দেন দেশসেরা এই অলরাউন্ডার।

সাকিব ফেরার পর আফিফকে নিয়ে আবারও জুটি গড়েন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। নিজের ব্যক্তিগত ইনিংসকে দ্রুতই বড় করতে থাকেন বাংলাদেশি অধিনায়ক। শেষ পর্যন্ত মাত্র ২৬ বলে তুলে নেন অর্ধশতক। আর এর পরেই বলেই আউট হয়ে ফেরেন প্যাভিলিয়নে। তার খেলা ৫০ রানের ইনিংসটি তিনটি চার এবং তিনটি ছয়ে সাজানো।

এদিকে ব্যাট হাতে কোনো রানই তুলতে পারেননি নুরুল হাসান সোহান। এরপর আউট হওয়ার পূর্বে ২১ রান তুলেন আফিফ। আর শেষদিকে মাত্র ৬ বলে ২ ছয় এবং ১ চারে ১৯ রান তুলে অপরাজিত থাকেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। আর মেহেদি হাসান অপরাজিত থাকেন ২ রানে।

পাপুয়া নিউগিনির পক্ষে সর্বোচ্চ দুটি করে উইকেট পেয়েছেন তিনজন বোলার।