রবিবার, ২৯ মে ২০২২, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে যুব উন্নয়নে চলতি দায়িত্ব

প্রকাশিতঃ ৩০ নভেম্বর ২০২১ | ৭:৩৮ অপরাহ্ন


এম কে মনির : যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে চলতি দায়িত্ব দিয়ে ৭০ জন কর্মকর্তাকে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদে বসানো হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব কর্মকর্তাকে চলতি দায়িত্বে নিয়োগ অর্থাৎ পদোন্নতি ছাড়াই এক ধাপ ওপরের পদে বসানো নিয়ে যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাদের ভেতরেই বিরূপ সমালোচনা চলছে।

অভিযোগ উঠেছে, অধিদপ্তরের ১৯৮৭ সালের চালু হওয়া থানা সম্পদ উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান প্রকল্পের জনবলকে ২০০৫ সালে রাজস্ব খাতে নেওয়া হয়। একই অধিদপ্তরের ১৯৯৫ সালের যুব প্রশিক্ষণ ও আত্মকর্মসংস্থান প্রকল্পের জনবল ২০১১ সালে রাজস্ব খাতে স্থানান্তরিত হয়। উভয় প্রকল্প থেকে আসা সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাদের পদোন্নতির জন্য ২০১৬ সালে জ্যেষ্ঠতার একটি খসড়া তালিকা করে অধিদপ্তর।

আগে চাকরি স্থায়ী হওয়ায় থানা সম্পদ উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান প্রকল্পর ২৬১ জন জ্যেষ্ঠতার তালিকায় প্রথম দিকে স্থান পান। এই তালিকার বিরুদ্ধে যুব প্রশিক্ষণ ও আত্মকর্মসংস্থান প্রকল্পের লোকজন প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে মামলা করে। ২০১৯ সালের জুনে মামলার রায় হয়। রায় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মতামত নিয়ে যুব অধিদপ্তর গত জুনে জ্যেষ্ঠতার চূড়ান্ত তালিকা প্রণয়ন করে। এই তালিকার বিরুদ্ধেও যুব প্রশিক্ষণ ও আত্মকর্মসংস্থান প্রকল্পের লোকজন প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা করে। ট্রাইব্যুনাল এ তালিকার ওপর অস্থায়ী স্থিতাবস্থা জারি করে।

অন্য পক্ষ গত সেপ্টেম্বরে ট্রাইব্যুনালে মামলা খারিজের আবেদন করে। উভয় আবেদনের ওপর শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল গত অক্টোবরে পদোন্নতির ওপর আরোপিত স্থিতাবস্থা বাতিল করে। এরপর যুব মন্ত্রণালয় অধিদপ্তরকে পদোন্নতির একটি তালিকা পাঠাতে বলে। অধিদপ্তর তালিকা প্রেরণে কিছু সময় চাইলে মন্ত্রণালয় সময় বাড়িয়ে দেয়।

এর ফাঁকে গত ২৫ নভেম্বর অধিদপ্তর ১১২ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাকে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব প্রদান করে। সংশ্নিষ্টদের অভিযোগ, এর মধ্যে জ্যেষ্ঠতার তালিকায় একদম নিচের দিকে থাকা ৭০ কর্মকর্তাকে ‘পদোন্নতি’ দেওয়া হয়েছে।

পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, চলতি দায়িত্বের তালিকায় থাকা উল্লেখিত সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাদের জ্যেষ্ঠতার ক্রমিক অনেক পিছনে। শেষের সারির অনেককেই চলতি দায়িত্ব দিয়ে আনা হয়েছে ১১২ জনের মধ্যে। প্রকৃতপক্ষে এই ১১২ জনের বেশিরভাগই জ্যেষ্ঠতার তালিাকায় ১১২ ক্রমিকের বহু পরে।

চলতি দায়িত্বের তালিকায় জ্যেষ্ঠতার তালিকা থেকে ১ ও ২ নং ক্রমিক ঠিক থাকলেও ১১২ জনের এ তালিকার ৩ নং ক্রমিক থেকেই জ্যেষ্ঠতার নিয়ম মানা হয়নি। জ্যেষ্ঠতার তালিকার ৪ নং ব্যক্তি এস এম হাসান ইমামকে আনা হয়েছে ৩ নং ক্রমিকে। প্রকৃতপক্ষে তার স্থলে ছিলেন ছালমান মিয়া। চলতি দায়িত্বের ৪ নং ক্রমিকে আনা হয়েছে জ্যেষ্ঠতার তালিকার ৩৬১ নং ব্যক্তি মোঃ খলিলুর রহমানকে।

এ তালিকায় জ্যেষ্ঠতার তালিকার ক্রমিক ৩৮ নং কামরুন নাহারকে ৫, ক্রমিক ২৩ নং মোঃ সাইফুর রহমানকে ৭, ক্রমিক ১৯ রকিব উল ইসলামকে ৮, ক্রমিক ৪২ নির্মল কান্তি মন্ডলকে ৯, ক্রমিক ৪৩ মোঃ জহিরুল হককে ১০, ক্রমিক ৪৬ মোঃ আমিনুল হক সরকারকে ১১, ক্রমিক ৪৯ দীপক কুমার মন্ডলকে ১২, ক্রমিক ৫৭ মোঃ রহমত উল্লাহকে ১৩, ক্রমিক ৫৮ প্রকাশ চন্দ্রকে ১৪, ক্রমিক ৫৯ আবুল কাশেম মোঃ ছাইফুল ইসলামকে ১৫ এবং ক্রমিক ৬০ মোঃ হানিফ উদ্দিনকে ১৭ করা হয়েছে।

একইভাবে জ্যেষ্ঠতার তালিকার ক্রমিক ৬৯ কে ১৯, ৭২ কে ২০, ৭৮ কে ২২, ৮১ কে ২৩, ৮৪ কে ২৪, ৮৫ কে ২৫, ৯২ কে ২৬, ৯৫ কে ২৯, ৯৮ কে ৩০, ১০০ কে ৩১, ১০৩ কে ৩২, ১০৮ কে ৩৩, ১০৯ কে ৩৪, ১১১ কে ৩৪, ১১২ কে ৩৬, ১১৩ কে ৩৭, ১১৪ কে ৩৮, ১১৫ কে ৩৯, ১১৬ কে ৪০, ১১৭ কে ৪১, ১২২ কে ৪৩ করা হয়েছে।

অনুরূপভাবে ৫৭ কে ১৩, ৫৮ কে ১৪, ৫৯ কে ১৫ করা হয়েছে। এভাবেই তৈরি করা হয়েছে ১১২ জনের ওই চলতি দায়িত্বের তালিকা। যেখানে ৩৯২ কে ৭৬, ৫৫৮ কে ৮৮, ৭০৫ কে ৮৯, ৯৩৯ কে ১০৪, ৮৮৯ কে ১০১, ৮৩১ কে ১০৭, ৭০৩ কে ৯৩, ৭৩২ কে ৯৫, ৭৬৩ কে ৯৬, ২৬৫ কে ১১২ নং ক্রমিকে আনা হয়েছে।

জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে করা এ তালিকায় ১২৬, ১২৭, ১৩২, ১৩৪, ১৪৫,১৪২, ১৪৩, ১৪৪, ১৪৫, ১৪৯, ১৫০, ১৫৩, ১৫৮, ১৬০, ১৬৬, ১৬৭, ১৬৮, ১৭৫,১ ৮৬ নং ক্রমিকের ব্যক্তিদ্বয়কে চলতি দায়িত্ব দেয়া তালিকায় যথাক্রমে ৪৫-৬৯ নং ক্রমিকে সংযোজন করা হয়েছে। এভাবে চলতি দায়িত্ব প্রদান করায় জ্যেষ্ঠতার তালিকায় থাকা ছালমান মিয়া, গৌতম কানুনগো, স্বপন কুমার বেপারী, মোঃ ইলিয়াছ হোসেন, আব্দুস ছালাম মিয়া, মোস্তাফিজুর রহমানসহ ওইসব ক্রমিকের সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তারা বাদ পড়েছেন।

চলতি দায়িত্বে দেয়া এ তালিকা তৈরিতে জ্যেষ্ঠতা মানা হয়নি তা দুই তালিকা পর্যবেক্ষণে সুস্পষ্ট। যেখানে ১১৭৫ জনের চূড়ান্ত জ্যেষ্ঠতার তালিকা থেকে পেছনের সারির অনেককে সামনের সারিতে দেয়া হয়েছে। অথচ ওইসব ক্রমিকের ব্যক্তিরা চলতি দায়িত্ব পাননি কিংবা তাদের নাম ১১২ জনের তালিকায় খুঁজে পাওয়া যায়নি।

এদিকে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে চলতি দায়িত্ব দেয়ার চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন একাধিক সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা। ক্ষোভ প্রকাশ করে একুশে পত্রিকাকে বরিশাল সদরের সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা খলিলুর রহমান বলেন, ‘জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে কোন প্রকার যোগ্যতা বিবেচনা না করে ১১২ জনকে পদায়ন করা হয়েছে। এ পদায়নে বড় অঙ্কের ঘুষ লেনদেন হয়েছে। যার মূলে রয়েছে ডিডি এডমিন মোখলেছুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। যেখানে একটি জ্যেষ্ঠতার তালিকা রয়েছে সেখানে কীভাবে ১১২ জনকে পদায়ন করা হয়। চলতি দায়িত্বের নামে এটি পদোন্নতি। এখানে তারা চল-চাতুরী করেছে।’

‘কাউকে যদি নিয়োগ দিতে হয় তাহলে দক্ষতা ও জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে দিতে হবে। কিন্তু এখানে ১১২ জনের মধ্যে ৪২ জনকে দিয়ে বাকি ৭০ জনকে বঞ্চিত করা হয়েছে। এখানে জ্যেষ্ঠতা মানা হলে ১২১ ক্রমিক পর্যন্ত আনা যাবে। কেননা ইতিমধ্যেই ৯ জন অবসরে চলে গেছেন। কিন্তু তা না করে এ তালিকায় অনেক পিছনের কাউকে চলতি দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। যা জ্যেষ্ঠতার লঙ্ঘন এবং সুস্পষ্ট অনিয়ম।’

খলিলুর রহমান আরও বলেন, ‘আমাকে চলতি দায়িত্ব দেয়া হলেও আমি এর তীব্র নিন্দা জানালাম। যেখানে আমার সহকর্মীদের উপর জুলুম করা হয়েছে সেখানে আমি এ দায়িত্ব গ্রহণ করবো না। ইতিমধ্যেই বঞ্চিতরা ঢাকার প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল-১ এ এ আদেশের স্থগিতাদেশ চেয়ে মহাপরিচালক, ডিডি-এডমিনসহ ৩ জনকে বাদী করে মামলা করতে যাচ্ছেন।’

জ্যেষ্ঠতা তালিকার ৮ নং ক্রমিকধারী হয়েও চলতি দায়িত্ব না পাওয়া গৌতম কানুনগো বলেন, ‘এটি জ্যেষ্ঠতার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তারা কীভাবে দিয়েছে তারা জানে। নিয়মানুযায়ী আমিও পাবার কথা।’

একই কথা বলেন, হুমায়ুন কবির, সাহাব উদ্দিনসহ অন্যান্যরাও। তারা বলেন, ‘যে তালিকায় ১১২ জনকে পদায়ন করা হয়েছে সেখানে ৭০ জনকে জ্যেষ্ঠতার তালিকার শেষাংশ থেকে আনা হয়েছে। আমরা নিশ্চিত যে এখানে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্য হয়েছে।’

সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শাহাব উদ্দিন একুশে পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি একশ’র ভিতরে থেকেও চলতি দায়িত্বে স্থান পাইনি। যে তালিকায় চলতি দায়িত্ব দেয়া হয়েছে সেখানে কোন জ্যেষ্ঠতা মানা হয়নি। তাহলে কেনো এ তালিকা করা হলো? চলতি দায়িত্বের তালিকায় ১ আর ২ ঠিক রেখে বাকিদের শেষ ভাগ থেকে আনা হয়েছে। এমনকি ১ হাজারের পরের সিরিয়ালেরও কাউকে যুক্ত করা হয়েছে। এতে আমরা অত্যন্ত হতাশ।’ তিনি আরও বলেন, ‘কীভাবে অনেক পেছন থেকে এনে চলতি দায়িত্ব দেয়া হয়? যারা আমাদের অনেক পরে চাকরিতে স্থায়ী হয়েছে, তারা আমাদের আগেই পদোন্নতি পেয়ে গেলো। এটি কোনভাবেই মানার নয়।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা বলেন, ‘আমার কাছে ২ লাখ টাকা চেয়েছে। আমি দিইনি। দিব কেন? নিয়ম মানা হলে আমি এমনিতেই যুব উন্নয়ন অফিসার হব। অবৈধ এ পদায়নের কারণে অনেকেই চাকররি জীবনে যুব উন্নয়ন অফিসার হওয়া থেকে বঞ্চিত হবে। অথচ চলতি দায়িত্ব দেয়া ১১২ জন যুব উন্নয়ন অফিসার মর্যাদা ও ওই পদের সকল সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবে। মূলত এটি একটি কৌশল। চলতি দায়িত্বের নামে তাদের পদোন্নতিই দেয়া হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই এবং স্থগিতাদেশ চাই।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) মো. জাহাঙ্গীর আলম একুশে পত্রিকাকে বলেন, ‘এটি কোন পদোন্নতি নয়। এটি চলতি দায়িত্ব। এখানে জ্যেষ্ঠতা অনুসরণ করার বাধ্যবাধকতা নেই। অধিদপ্তর যাকে যোগ্য মনে করেছে তাকেই চলতি দায়িত্ব দিয়েছে।’ টাকা লেনদেন সত্য নয় বলে দাবি করে তিনি বলেন, ‘যারা চলতি দায়িত্ব পাননি তারা তো অনেক কথাই বলবেন।’

নিজেকে উদাহরণ দিয়ে এ কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘আমাকে যদি পদোন্নতি দেয়া না হয় আর আমার ব্যাচমেটরা যদি পদোন্নতি পেয়ে যান তাতে কি আমি সরকারকে প্রশ্ন করতে পারব? যার যোগ্যতা বেশি সে পদোন্নতি পাবে। চলতি দায়িত্ব স্থায়ী নয়। কর্তৃপক্ষ যেকোন সময় সেখানে পদায়ন করতে পারবেন। যারা চলতি দায়িত্ব পাচ্ছেন তাদের যুব উন্নয়ন অফিসার পদের পাশে চলতি দায়িত্ব লিখতে হবে।’

জাহাঙ্গীর আলম আরও বলেন, ‘এসব কিছুই মহাপরিচালকের অনুমোদনক্রমে হয়েছে। অধিদপ্তর যখন পদোন্নতি বা নিয়োগ দিতে পারেনা তখন চলতি দায়িত্ব দেয়া হয়। এর আগেও অনেককে চলতি দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।’ চলতি দায়িত্বের ক্ষেত্রে কী যোগ্যতা বিবেচনায় নেয়া হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে এ কর্মকর্তা বলেন, ‘যার অভিজ্ঞতা বেশি, যিনি দীর্ঘ দিন চাকুরিতে নিয়োজিত, যিনি বেশি যোগ্য তাকেই নেয়া হয়েছে। এখানে জ্যেষ্ঠতার তালিকা অনুসরণ করতে হয় না।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক (প্রশাসন) মোখলেছুর রহমানের মুঠোফোনে যোগাযোগ করেও সাড়া মিলেনি। পরে খুদে বার্তা দিয়েও জবাব পাওয়া যায়নি।

তবে চলতি দায়িত্বের আদেশ প্রকাশের আগে উপ-পরিচালক মোখলেছুর রহমানের সঙ্গে একুশে পত্রিকার এ প্রতিবেদকের কথা হয়। সেসময় তিনি টাকা লেনদেনের মাধ্যমে পদায়নের অভিযোগ মিথ্যা বলে জানান।

এ বিষয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকতার হোসেন একুশে পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা মন্ত্রণালয় থেকে পদোন্নতির জন্য তালিকা চেয়েছি। অধিদপ্তর চলতি দায়িত্ব দিয়েছে। এটি কোন পদোন্নতি নয়। সুতরাং এর দায়ভার মন্ত্রণালয়ের নয়। পদোন্নতি হলে আমরা এর দায় নিতাম। যিনি চলতি দায়িত্ব দিয়েছেন তিনি এর দায় নেবেন। এটা তার ক্ষমতা। আমরা জেনেছি কিছু লোককে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে দায়িত্ব দিয়েছেন। সেজন্য আমরা তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছি। আমরা জানতে চেয়েছি কেন এমন হয়েছে। আমরা ব্যবস্থা নেব।’