মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২

কক্সবাজারে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: সেই আশিককে ৭ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ

| প্রকাশিতঃ ৩ জানুয়ারী ২০২২ | ৬:৩৯ অপরাহ্ন


কক্সবাজার প্রতিনিধি : কক্সবাজারে সংঘবদ্ধ নারী ধর্ষণে প্রধান অভিযুক্ত আশিকুর রহমান আশিককে জিজ্ঞাসাবাদ করতে ৭ দিনের রিমান্ড চেয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। আজ সোমবার রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহিউদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, ২৭ ডিসেম্বর আশিককে গ্রেপ্তারের পর র‌্যাব ৫৪ ধারায় ঢাকা মেট্রোপলিটন আদালতে সোপর্দ করে। আমরা তাকে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কক্সবাজার আনতে কক্সবাজার সদর আদালতে আবেদন করি। তাকে কক্সবাজার কারাগারে আনার পর রোববার ধর্ষণ মামলায় ‘শ্যোন এরেস্ট’ দেখানো হয়। এরপর সোমবার তার ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করি। সিনিয়র জুড়িসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবুল মনসুর সিদ্দীকির আদালতে আগামীকাল মঙ্গলবার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

কক্সবাজার জেলা কারাগারে সুপার নেছার আহমদ বলেন, ২৭ ডিসেম্বর রাতে আশিককে মাদারিপুর থেকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। এরপর আদালতের মাধ্যমে তাকে ঢাকার কেরানিগঞ্জ কারাগারে পাঠানো হয়। সেখান থেকে ৩০ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় তাকে কক্সবাজার কারাগারে আনা হয়। রোববার তাকে একটি ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

এর আগে গত ২২ ডিসেম্বর রাতে স্বামী-সন্তানকে জিম্মি করে কক্সবাজার শহরের জিয়া গেষ্ট ইন ও সৈকত পোস্ট অফিসের পেছনে এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওই নারীর স্বামী ৪ জনের নাম উল্লেখ করে ও তিনজনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করে। এই ঘটনায় মোট ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ও র‌্যাব। এ ঘটনায় আশিক ছাড়া গ্রেপ্তার অপর ৫ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। আর সর্বশেষ আশিককেও ৭দিনের রিমান্ড চেয়েছে তদন্তকারী কর্মকর্তা।

এদিকে, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের এ ঘটনায় বিচারিক অনুসন্ধান চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। সোমবার (৩ জানুয়ারি) সকালে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আবদুল্লাহ আল হারুন ভূঁইয়া এ রিট করেন। রিটে স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনসচিব, ট্যুরিস্ট পুলিশসহ সাতজনকে বিবাদী করা হয়েছে। আবেদনে ওই ঘটনায় কক্সবাজার জেলা জজ বা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে বিচারিক অনুসন্ধান করার এবং দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ায় কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না এই মর্মে রুল জারির আর্জি জানানো হয়েছে।