শুক্রবার, ১২ আগস্ট ২০২২, ২৮ শ্রাবণ ১৪২৯

দ্বন্দ্ব ভুলে ফের কাছাকাছি আসিফ-ন্যান্সি

প্রকাশিতঃ ৩০ জুলাই ২০২২ | ১:১৪ অপরাহ্ন


ঢাকা : জনপ্রিয় গায়ক আসিফ আকবরের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছিলেন আরেক জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি। দুই সংগীত তারকার মধ্যকার একটা সুস্থ এবং ভালো সম্পর্ক হঠাৎই হয়ে উঠেছিল বিষাদময়। তাতে অবাক এবং হতাশ হয়েছিলেন আসিফ ও ন্যান্সির অনুরাগীরা।

মামলার ঘটনার আগে এবং পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় একে অন্যকে কথার তিরেও ঘায়েল করেছেন দুই তারকা। একদিকে চলেছে মামলা, অন্যদিকে কথার হামলা। তবে সব ভুলে ফের কাছাকাছি হলেন আসিফ ও ন্যান্সি।

শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ন্যান্সির সঙ্গে তোলা একটি ছবি পোস্ট করে এ কথা জানান আসিফ স্বয়ং। সেখানে গায়ক লিখেছেন, ‘একটা ফোনের অপেক্ষায় ছিলাম চারটা বছর। অবশেষে এলো সেই কাঙ্খিত ফোন। হ্যালো বলতেই শুনলাম অনেক পছন্দের আদুরে কণ্ঠটি।’

‘ভাইয়া আমি ন্যান্সি বলছি… খুব ভালো লাগল ওর ফোনটা পেয়ে। দুনিয়ার সমস্ত অভিযোগ অভিমান আমার বিরুদ্ধে, শুনে আরও ভালো লাগছিল। ন্যান্সি তো আমার ছোট, আমিতো বড়, তাহলে আমার মিনিমাম ভুলের ম্যাক্সিমাম শাস্তি হওয়া উচিত।

‘নাজমুন মুনিরা ন্যান্সির কণ্ঠ আমাদের সম্পদ। আমাকে বলল ভাইয়া আমি রাগ কমিয়ে ফেলেছি, আপনিও রাগ কমিয়ে ফেলেন। সাথে সাথেই রাজী হয়ে গেলাম। অনেকদিন পর স্নেহের ন্যান্সির সাথে গল্পগানের আড্ডায় নিজেকে হালকা করে ফেলেছি।’

‘ভালো থাকো ন্যান্সি, আনন্দে বাঁচো। গান গেয়ে যাও, তোমার কণ্ঠ এ দেশের মানুষের একটা আনন্দময় ভালো লাগা। আমিও সেই দলের বাইরে নই। ভালোবাসা অবিরাম।’

আসিফের পোস্ট থেকে এটা পরিষ্কার যে, গায়িকা ন্যান্সির সঙ্গে তার সব ধরনের ঝামেলা, মান-অভিমান, অভিযোগ অনুযোগ মিটে গেছে। তাদের দেখা হয়েছে, কথাও হয়েছে। যদিও সেখানে নতুন কোনো কাজ নিয়ে কথা হয়েছে কিনা, সেটা উল্লেখ করেননি আসিফ।

এই গায়কের বিরুদ্ধে ন্যান্সি ময়মনসিংহের কোতোয়ালি মডেল থানায় মানহানির মামলা করেন ২০২০ সালের ১০ জুলাই। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর আসিফকে সেই মামলায় আদালত থেকে সমন পাঠানো হয়। এ কথাও ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে জানিয়েছিলেন আসিফ।

কিন্তু কী অভিযোগে মামলা হয়েছিল আসিফের নামে? ন্যান্সির মামলার অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, তার গাওয়া ১২টি গানের স্বত্ব অনুমতি ছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করেন আসিফ। এ বিষয়ে ন্যান্সি আপত্তি জানালে ক্ষুব্ধ হন আসিফ।

সে কারণে বিভিন্ন সময়ে ইউটিউব ও টিভি চ্যানেলে ন্যান্সির বিরুদ্ধে মানহানিকর ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দেন আসিফ। তাকে মিথ্যুক এবং মানসিক ভারসাম্যহীন বলে কটাক্ষও করেন। এর পরই মামলা ঠুকে দেন ন্যান্সি। সে মামলায় গত বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি জামিন পান আসিফ।