রবিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২

‘সাংবাদিকতার আলোর দিশারী অধ্যাপক মোহাম্মদ খালেদ’

| প্রকাশিতঃ ৯ জুলাই ২০১৭ | ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন

চট্টগ্রাম : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, ‘এ অঞ্চলের সংবাদপত্রকে নান্দনিকতায় সাজানোর ক্ষেত্রে এবং ব্যাপক পাঠক সৃষ্টিতে অধ্যাপক মোহাম্মদ খালেদের অবদান অপরিসীম। তিনি শুধু সংবাপত্রের প্রতিকৃৎ নন, এই চট্টগ্রামের সিংহভাগ সংবাদকর্মীর ধারক ও বাহক ছিলেন। দেশের স্বাধীনতা ও সংবিধানের রচনার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা ছিল অপরিসীম।’

চট্টগ্রাম নাগরিক অধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ আয়োজিত দেশবরেণ্য বুদ্ধিজীবী, শিক্ষাবিদ, দৈনিক আজাদীর প্রয়াত সম্পাদক অধ্যাপক মোহাম্মদ খালেদ এর ৯৫তম জন্মবাষির্কীতে ‘সাংবাদিকতা ও সংবাদপত্রে আলোক দিশারী’ শীর্ষক আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এই কথা বলেন।

নগরীর চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত অধ্যাপক খালেদের জন্মবার্ষিকীর এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম নাগরিক অধিকার বাস্তবায়ন পরিষদের সভাপতি লায়ন এ কে জাহেদ চৌধুরী।

আবৃত্তিশিল্পী দিলরুবা খানম ও সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি আলী আহমেদ শাহিন এর যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন কলামিস্ট অধ্যক্ষ ফজলুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী।

বক্তৃতা করেন অধ্যাপক মোহাম্মদ খালেদের পুত্র সাপ্তাহিক স্লোগান সম্পাদক মোহাম্মদ জহির, সাপ্তাহিক আন্দরকিল্লাহ সম্পাদক নুরুল আবসার, মুক্তিযোদ্ধা ফজল আহমদ, যুব সংগঠক সুমন দেবনাথ, ছাত্র সংগঠক ইয়াছির আরাফাত, গীতিকার ফারুক হাসান, সৈয়দ দিদার আশরাফী, জাকির হোসেন, অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম খান, মুক্তিযোদ্ধা এস এম আবু তাহের, মুক্তিযোদ্ধা এস এম নুরুল আমিন, মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান মিলন, প্রবণরাজ বড়ুয়া, রেবা বড়ুয়া, পারভিন আক্তার চৌধুরী, রোজী চৌধুরী, নাসির হোসাইন জীবন, আশিক বন্ধু, রিমন মুহুরী, সেলিম উদ্দিন ডিপবু, হারুনুর রশিদ, আবদুল্লাহ মাছুম সোহেল, সমীরণ পাল, সোমিয়া সালাম, ডা. আ ম ম নুরুল হক, ডা. চন্দন দত্ত, জামাল উদ্দিন, মাহবুবুল রহমান, আসিফ ইকবাল, মোহাম্মদ ইউনুছ মিঞা, বিপ্লব দাশ গুপ্ত প্রমুখ।

প্রধান বক্তা অধ্যক্ষ ফজলুল হক বলেন, নির্লোভ নিরহংকারী ও সৎ মানুষ অধ্যাপক খালেদ সারাজীবন সাধারণ মানুষের পাশে থেকে দেশ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত ছিলেন। কর্মবীর অধ্যাপক খালেদের আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য তরুণ যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

বিশেষ অতিথি চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী চলেন, পরোপকারী মানুষ ছিলেন অধ্যাপক মোহাম্মদ খালেদ। যে কারণে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম এ মহান মানুষটিকে হৃদয়ে লালন করে চলেছেন।

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষা কবিতা রচনায় বিশেষ অবদান রাখায় তালুকদার হালিমকে অধ্যাপক মোহাম্মদ খালেদ বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।