চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতার সমস্যা সমাধানে ১৯৯৫ সালে মাস্টার প্ল্যানের ভালো দিকগুলি কম সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরাম। রোববার দুপুরে চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের পক্ষ থেকে নগরীর জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে দেয়া স্মারকলিপিতে এ দাবি জানানো হয়।
স্মারকলিপি গ্রহণ করেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. রুহুল আমিন।
স্মারকলিপিতে চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে বিশেষ বরাদ্দ প্রদানের দাবি জানিয়ে বলা হয়, নাগরিক ফোরাম মনে করে, ১৯৯৫ সালে মাস্টার প্ল্যানের ভালো দিকগুলি কমসময়ের মধ্যে ও কম অর্থে বাস্তাবায়ন করা যায় এবং ১৩ বছর অপেক্ষা করার প্রয়োজন নেই। নগরীর জলাবদ্ধতার সমাধানের জন্যে কয় দিন আগে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন চায়নার একটি কোম্পানির সাথে ৫০০০ কোটি টাকার প্রজেক্ট করার ঘোষণা দিয়েছে। যা শেষ হতে ২০৩০ পর্যন্ত সময় লাগবে বলা হয়েছে। আবার সম্প্রতি সিটি কর্পোরেশন ঘোষণা দিয়ে বলেছে ওয়াসার সাথে যৌথভাবে প্রকল্প নেয়া হবে। অন্যদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড অন্য একটা প্রকল্প করার পথে এগুচ্ছে, যা সম্পর্কে সিডিএ ও সিটি কর্পোরেশন ভালোভাবে অবগত নয়। তাদের মধ্যে নেই কোন সমন্বয়।’
স্মারকলিপিতে আরো বলা হয়, ‘১৯৯৫ সালের মাস্টার প্ল্যান বাদ দেয়ার কারণ কি? এর একটি অংশ ছিল- বহর্দ্দারহাট থেকে কর্ণফুলী সেতু পর্যন্ত নতুন বিকল্প খাল খনন এবং এটি শুরু করার কথা ছিল অক্টোবর ২০১৫ থেকে, অনেক বরাদ্দ দিলো, কিন্তু কর্তৃপক্ষ এখনও এ ব্যাপারে চুপচাপ রয়েছেন। অতীতে অনেক কাজ হয়েছিল সত্য, কিন্তু নিয়মিত খাল, উপখাল ও নদী ড্রেজিং না করা এবং মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়ন না হওয়ায়, সমস্যা এখন প্রকট আকার ধারণ করেছে।’
স্মারকলিপিতে চট্টগ্রামবাসীর দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে সদ্য পাসকৃত বাজেট থেকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিশেষ অর্থ বরাদ্দ প্রদানের প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।
স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন, অধ্যাপক মিলন কান্তি রায় চৌধুরী, অধ্যাপক সামসাদ সাত্তার, আন্ত: জিলা কাভার্ড ভ্যান মালিক সমিতির সভাপতি মনির আহমেদ, অধ্যক্ষ দিলীপ চৌধুরী, এড মো. হেফাজ উদ্দিন, জাফর আহমদ, মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন, বিপ্লব দাশগুপ্ত, লায়ন মো. কামরুজ্জমান মিন্টু, সেবক চট্টগ্রাম নগরের সভাপতি আকরাম হোসেন, জসিম উদ্দিন খন্দকার, রহিমা আক্তার ডলি, ফটোগ্রাফার সমীর পাল, এম আর জসিম সিকদার, আবদুল নবী, আবু সৈয়দ রাসেল, খোকন মজুমদার রাজিব ও মো. আলী।