
চট্টগ্রাম : বিশ্বসমাদৃত ত্বরিকায়ে মাইজভাণ্ডারীর দিকপাল আওলাদে গাউছে মাইজভাণ্ডারী শাহসূফি সৈয়দ গোলামুর রহমান (ক.) প্রকাশ বাবা ভাণ্ডারীর ৮৮তম ওরস শরীফ ৫ এপ্রিল মাইজভাণ্ডার শরীফ গাউসিয়া হক মনজিলে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দুইদিনব্যাপী এই পবিত্র ওরস শরীফ নানা কর্মসূচির মাধ্যমে শেষ হয়েছে। বাদে ফজর বিশ্বঅলি শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভান্ডারী (কঃ) এর মাজার শরীফ এ গিলাফ শরীফ চড়ানো,ফুল-আতর ছিটানো ও মিলাদ কেয়াম মুনাজাত এর মধ্যে দিয়ে ২২ চৈত্র ওরশ শরীফ এর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।
পরবর্তীতে আওলাদে পাকগণ আশেক ভক্তদের নিয়ে গাউসুল আজম হযরত সৈয়দ আহামদ উল্লাহ মাইজভান্ডারী (কঃ), গাউসুল আজম বিল বেরাসত হযরত সৈয়দ গোলামুর রহমান মাইজভান্ডারী (কঃ) এবং অছিয়ে গাউসুল আজম হযরত সৈয়দ দেলাওর হোসাইন মাইজভান্ডারী (কঃ)-র রওজা শরীফে গিলাফ শরীফ চড়ানো ও জেয়ারতে অংশ নেন এবং মুনাজাত পরিচালনা করেন মাইজভাণ্ডারী গাউছিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদের কর্মকর্তারা।
পবিত্র আখেরী জুমার নামাজ শেষে শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভান্ডারীর (কঃ) মাজার শরীফে মিলাদ ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাতে ছদরত করেন গাউসুল আযম হযরত সৈয়দ আহমদ উল্লাহ্ মাইজভাণ্ডারীর (কঃ) প্র-পৌত্র বিশ্বঅলি শাহানশাহ্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারীর (কঃ) একমাত্র পুত্র মাইজভান্ডার শরিফ গাউসিয়া হক মনজিলের সম্মানিত সাজ্জাদানশীন আওলাদে রাসূল, আওলাদে গাউসুল আযম রাহবারে আলম শাহ্ সুফি সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভান্ডারী। এ সময় বিশ্বমানবতার মুক্তি এবং সমগ্র সৃষ্টির কল্যাণ কামনা করা হয়।
গাউছিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদ সভাপতি রেজাউল আলী জসীম চৌধুরীসহ অন্যান্য কর্মকর্তাগণ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। সন্ধ্যায় আশেক ভক্তদের জন্য উন্মুক্ত ইফতার ও তদারুকের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। বাবা ভাণ্ডারীর ওরশ উপলক্ষে দূরদূরান্ত থেকে আশেক ভক্তগণ মাইজভাণ্ডার শরীফে আগমন করেন। দুপুরে আগত আশেক ভক্ত জায়েরীণদের সাক্ষাৎ প্রদান করেন গাউসিয়া হক মনজিলের সাজ্জাদানশীন রাহবারে আলম শাহ্ সুফি সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী। রাত ১০ টায় কেন্দ্রীয় মিলাদ কেয়াম, মুনাজাত ও তাবাররুকাত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে পবিত্র ওরশ শরীফের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়।