রবিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২

খালেদা জিয়ার সফরসঙ্গীদের জন্য ডা. শাহাদাতের মেজবান

| প্রকাশিতঃ ২৭ অক্টোবর ২০১৭ | ১০:১১ অপরাহ্ন

চট্টগ্রাম : রোববার বিকেলে কক্সবাজারের উখিয়া, বালুখালিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। এর আগে শনিবার তিনি চট্টগ্রাম আসবেন। ৭০ থেকে ৮০টি গাড়ি বহর নিয়ে সড়কপথে শনিবার দুপুরে রাজধানী থেকে রওনা হয়ে সন্ধ্যা ৭টায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে বেগম জিয়ার। পথে পথে কয়েকটি সভা শেষে তাঁর চট্টগ্রাম পৌঁছতে ৯টা বেজে যাবে বলে চট্টগ্রাম বিএনপি নেতৃবৃন্দের ধারণা।

জানা গেছে, খালেদা জিয়ার সফরসঙ্গী হিসেবে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দ, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাসহ অন্তত সাড়ে তিনশ’ থেকে ৪শ’ নেতা থাকছেন। থাকছেন খালেদা জিয়ার নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ৭০ সদস্য বিশিষ্ট একটি বিশেষ সিকিউরিটি ফোর্স। বিমান পথেও আসছেন বেশ ক’জন কেন্দ্রীয় নেতা। বেগম জিয়া ও তার নিরাপত্তায় নিয়োজিত সদস্য, বিএনপি মহাসচিব, কয়েকজন স্থায়ী কমিটির সদস্য শনিবার রাতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে অবস্থান করবেন। বাকিরা বিভিন্ন হোটেল ও স্থানীয় নেতাদের বাসায় উঠবেন বলে জানা গেছে। সব মিলিয়ে ৫শ’ ভিআইপি নেতা শনিবার রাতে ‘চট্টগ্রামের অতিথি’।

সেই অতিথিদের সম্মানে মেজবানের আয়োজন করেছেন চট্টগ্রাম নগর বিএনপি’র সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন। দুই হাজার মানুষের খাবারের আয়োজন থাকছে সেখানে। মেন্যু হিসেবে উন্নত মানের সিদ্ধ চালের ভাতের সঙ্গে থাকছে চট্টগ্রামের মেজবানি মাংস, নলার ঝোল, হাড় ও ছনার ডাল দিয়ে একটি বিশেষ আইটেম।

শুক্রবার রাত ৯ টার দিকে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে ডা. শাহাদাত হোসেন একুশে পত্রিকাকে বলেন, ‘চট্টগ্রামের মানুষ বরাবরই অতিথিপ্রিয়। অতিথি আপ্যায়নে যে আনন্দ, সেই আনন্দ দারুণ উপভোগ করেন চট্টগ্রামবাসী। মূলত সেই কারণে একজন চট্টগ্রামবাসী হিসেবে এ মেজবানের আয়োজন করেছি।’

তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রামের মেজবানের সুখ্যাতি রয়েছে দেশজুড়ে। তাছাড়া দীর্ঘ ৫ বছরেরও বেশি সময় পর বেগম জিয়া তাঁর সফরসঙ্গীদের নিয়ে চট্টগ্রাম আসছেন। বিশাল এই উপলক্ষ ও মাহেন্দ্রক্ষণকে স্মরণীয় রাখতেই কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দকে ঐতিহ্যবাহী চট্টগ্রামের মেজবান দিয়ে আপ্যায়নের উদ্যোগ নিয়েছি। ইতোমধ্যে প্রায় সব প্রস্তুতি শেষ করা হয়েছে।

মেজবান তো আরো বড় পরিসরে হতে পারতো, ভেন্যুটাই বা কোথায়- জানতে চাইলে ডা. শাহাদাত বলেন, ‘এর চেয়ে বড় আয়োজন করলে বিশৃঙ্খলা তৈরি হতে পারে। অতিথিদের যথাযথ আপ্যায়ন ব্যাহত হতে পারে। তাই ইচ্ছা থাকলেও বড় আয়োজন করা থেকে বিরত থাকতে হচ্ছে।’

বিশৃঙ্খলা এড়াতে এখনই ভেন্যুর কথা জানাতে না চাইলেও সার্কিট হাউসের আশপাশে কোনো একটি কমিউনিটি সেন্টারে আপ্যায়নের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানান শাহাদাত।