শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২

বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে যৌন সম্পর্ক আর ধর্ষণ নয়, শাস্তি সর্বোচ্চ ৭ বছর

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধন
একুশে প্রতিবেদক | প্রকাশিতঃ ২০ মার্চ ২০২৫ | ৫:২৯ অপরাহ্ন


ধর্ষণ মামলার বিচার দ্রুত করতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধন করা হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫–এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হল, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে অবৈধ যৌন সম্পর্ককে এখন আর ধর্ষণের সংজ্ঞায় ফেলা হচ্ছে না। এটিকে আইনে আলাদা ধারায় চিহ্নিত করা হয়েছে এবং এর জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি নির্ধারণ করা হয়েছে সাত বছর।

প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানান।

পরে আইন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানা যায়, ধর্ষণের ঘটনাগুলোর দ্রুত বিচারের জন্যই এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে অবৈধ যৌন সম্পর্কের বিষয়টিকে আলাদা অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এছাড়াও, প্রস্তাবিত আইনে বলাৎকারকেও ধর্ষণ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

এর আগে, গত সোমবার (তারিখ উল্লেখ নেই) সংশোধিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন অধ্যাদেশের খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল জানিয়েছিলেন, প্রস্তাবিত আইনে ধর্ষণ মামলার তদন্ত ও বিচারের সময় কমিয়ে আনা হচ্ছে এবং শিশু ধর্ষণের মামলার বিচারের জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল স্থাপনের বিধান রাখা হচ্ছে।